খালেকুজ্জামান শামীমঃ ডাক্তার আছে তবে দু’একজন। নার্স আছে তবে গুটি কয়েক। কর্তব্যরত একজন ডাক্তার হাসপালের বাহিরে চায়ের দোকানে আড্ডায় ব্যস্ত। ৫০ শয্যার এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন প্রায় ডাক্তার শূণ্য তাই রোগীরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এখন রোগী শূণ্য। হাজীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে। সাড়ে দশটায় হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়। দু’টি কক্ষে দু’জন ডাক্তার আর ইমারজেন্সি রুমে ব্যস্ত একজন দায়ে পড়ে আসা কয়েকজন মারামারির রোগী এসে ব্যথায় কাতরাচ্ছে। পাশেই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাক্তার প্রদীপ কুমারের চেম্বারটি পড়ে আছে খালি। খোজ নিয়ে জানাগেছে তার পদন্নোতি হয়েছে। তিনি এখন চাঁদপুরে পদন্নোতি নিয়ে কর্মস্থলে রয়েছে। এ অবস্থায় শুধু কয়েকজন ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি ও প্যাথলজির প্রতিনিধি ছাড়া অন্য তেমন কাউকে দেখা যায়নি। চিকিৎসার জন্য আসা একজন রোগীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এখানে কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করলে কিছুই বলেনা। একে জিজ্ঞাস করলে ওকে দেখিয়ে দেয়। অর্থাৎ এ টেবিল থেকে ও টেবিল এ অবস্থায় চরম সংকটে পড়তে হচ্ছে। এদিকে হাসপাতালে নোংরা পরিবেশ অবস্থাপনার কারণেই ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটি এখন প্রায় রোগী শূণ্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেছেন ডাক্তার থাকা সত্ত্বেও তাড়া অফিস সময়ে প্রাইভেট চেম্বারে বসার কারণে এখানে ডাক্তার পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও কেউ থাকে তবে সরকারি চেম্বারে বসে গল্পে মত্ত থাকে। এসব দেখার কেউ আছে কি?
শিরোনাম:
শনিবার , ৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
