নিজস্ব প্রতিবেদক :
কচুয়ার বহু অপকর্মের হোতা জাল টাকা ব্যবসায়ী মহসিন এলাকার মানুষের সাথে প্রতারণা করে সাধারণ মানুষ থেকে এখন কোটিপতি। পর্দার আড়ালে থাকা গড ফাদারদের ইন্দনে বহু অপকর্ম করেও এখন ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। তার এলাকার স্থানীয় লোকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে মহসীন জাল টাকা, জাল দলিল ও ভূয়া পার্সপোট সহ বহু অপকর্মের সাথে জড়িত। মসসিন কচুয়া ৯নং কড়াইয়া ইউনিয়নের আকানিয়া গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ীর রমজান আলীর ছেলে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মহসিন সামান্য একজন দলিল লিখক। ভূয়া দলিলের মাধ্যমে অনেক লোককে পথে বসিয়েছে মহসিন। জেলার জাল টাকা চক্রের অন্যতম সদস্য বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। চাঁদপুর পলিটেকনিক্যালের ছাত্র ঈসমাইল হোসেন (১৯) তার সহযোগী হিসাবে কাজ করে বলে জানা যায়। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, সমাজের অবৈধ কাজগুলো টাকার বিনিময়ে মহসিন তা বৈধ করে।
আকানিয়া পাটওয়ারী বাড়ীর মজিবুর রহমানের ছেলে ফখরুল ইসলামের (৪৫) অভিযোগ তুলে বলেন, সঠিক তথ্য দিতে আমারা ভয় পাচ্ছি। কারণ শীর্ষ ঘট ফাদারদের সাথে তার আতাত রয়েছে। তার খপ্পরে পড়ে এলাকাসহ বহুলোক সহায় সম্ভল হারিয়ে এখন পথের বিখারী।
একই বাড়ীর ইদ্রিস পাটওয়ারীর ছেলে শাহজাহান পাটওয়ারী বলেন, জাল দলিলের মাধ্যমে আমাকে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কায়দায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ৬০ শতাংশ জমি জোর পূর্বক দখল করে নিয়েছে ভূমি দস্যু মহসিন।
কচুয়া উপজেলা যুবলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সোহাইব পাটওয়ারী বলেন, শুধু জাল দলিল নয়, সে জাল টাকার ব্যবসায় সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তার এসব জাল টাকার মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়েছেন আমাদের গ্রামের অনেকেই। তার বিরুদ্ধে আমরা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে জানিয়েছি।
তার প্রতারনার শিকার একই গ্রামের দিঘির পাড়া বাড়ীর আবু হাজী মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গিরের সাথে কথা বললে সে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা বাজারে নিয়ে আমাকে সিগারেটের প্যাকেটের ভিতরে জাল টাকা দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আমি সেই মামলায় এখনও ভূগছি।
৯নং কড়াইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম মালেকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, তার বিষয়ে আমার পরিষদে বহুবার শালিস হয়েছে। তবে সে বহু অপকর্মের সাথে জড়িত এমন অভিযোগও রয়েছে।
মুঠোফোনে মহসিনের সাথে কথা বললে সে তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ অস্বিকার করেন।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ১১ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
