সাখাওয়াত হোসেন (মিথুন):
হাজীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে জুয়ার আসর। প্রতিদিন কোন না কোন অঘটন ঘটেই চলছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। এর এটাই কারণ উপজেলার মকিমাবাদ, রান্ধুনীমুড়া, জিয়ানগর, সুদিয়া, বেলচোঁ সীমান্ত্মবর্তী এলাকায়। এখানে অহরহ চুরী-ডাকাতি, জুয়া সহ অরাধ চক্রের সদস্যদের আনাগোনা দেখা যায়। তাদের আনাগোনা ও দৌরাত্বে সাধারন জনগন অতিষ্ঠ। সচেতন এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয় কয়েকজন দুস্কৃতিকারী উপজেলার রেলষ্টেশনের ফ্লাটফর্ম, বালির গোডাউন, পৌর শ্বসান ঘাট, জুটমেলের পেছনে, বাগানবাড়ী, স্পাহানীপাড়া সহ আশ-পাশের এলাকায় প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসিয়ে এলাকার যুবসমাজের নৈতিকতা ধবংশ সহ হাজার হাজার টাকা নষ্ট করছে, তারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সহযোগতা পাচ্ছে বলে সচেতন মহল জানান। এলাকার সাধারন জনগন মান সম্মানের ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলছে না। জানা যায় এদের নেতৃত্ব দেন কিছু অসাধু থানার সোর্স প্রতি জুয়ারী ও মাদক সেবনকারীদের কাছ থেকে দৈনিক ও মাসিক চাঁদা আদায় করে। থানা পুলিশ ওই এলাকায় ও স্পট গুলিতে অপরাধীদের ধরতে আসার পূর্বে থানা সোর্স জুয়ারী ও মাদকসেবনকারীদের খবর দিয়ে দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গাইন বাড়ীর এক গৃহিনীর সাথে কথা বললে তারা জানায়, জুয়াড়ী ও গাঁজা সেবনকারীদের বাধা দিতে চাইলে ধর্ষণ ও নির্যাতনের হুকী দেয়। জসিম আবেদ মিয়ার ছেলে, ইলিয়াস, রহিম বকাউল বেপারীর ছেলে, কাউছার, এনায়েত, রনী, টিটু, রাসেল তাদের দলবল সহ সীমান্ত্মবর্তী এলাকার জুয়ারীদের নিয়ে জুয়ার আসর বসায় বলে স্থানীয় সুত্রে জানা যায়। জুয়ারীদের দৃষ্টান্ত্মমূলক শাস্ত্মির ব্যবস্থা করলে এলাকার সাধারন জনগন শান্ত্মিতে বেঁচে থাকার অবলম্বন খুঁজে পাবে। স্থানীয় প্রশাসন কি উপজেলাধীন এলাকার জনগনের দাবী আদায়ের লক্ষে এগিয়ে আসবেন? প্রশ্ন সচেতন মহলের।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ , ২ পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
