প্রতিনিধি
হাজীগঞ্জে সড়কের পাশে এক নবজাতক কন্যা শিশু পাওয়া গেছে। যে কোনো পাষ- জীবিত এ শিশুটিকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গেলেও ফুটফুটে এ শিশুটিকে নিজের করে নিতে ইতিমধ্যে বেশ কজন স্থানীয় চেয়ারম্যানের দারস্থ হয়েছেন। গত সোমবার মাগরিবের কিছু পর শিশুটির দেখা মিলে হাজীগঞ্জ এলাকার পাতানিশ নামক স্থানে হাজীগঞ্জ-কচুয়া সড়কের পাশে।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, হাজীগঞ্জ উপজেলার হাজীগঞ্জ-কচুয়া সড়কের হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের পাতানিশ কালচোঁ সড়কের পাকা অংশের ঘাসের উপর খালি একটি তোয়ালে প্যাঁচানো অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। তখন চারদিকে হৈচৈ পড়ে যায়। এর পরেই স্থানীয় হাটখোলা বাড়ির মৃত সেকান্দর আলীর ছেলে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী এসে নিজের সন্তানের মতো করে মায়ের মমতায় শিশুটিকে কোলে তুলে নেন।
স্থানীয়রা আরো জানান, শিশুটি আমরা দেখার কয়েক মুহূর্ত আগে দুই নারী শিশুটির পাশে দাঁড়িয়ে চিৎকার শুরু করে। আমরা লোকজন সেখানে জড়ো হওয়ার পরেই ঐ দুই নারী ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ে। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে ঐ নারীরা কৌশলে এখানে ফেলে গেছে।
জাহাঙ্গীর আলম কে জানান, শিশুটির শরীর ভেজা এবং গায়ে তোয়ালে জড়ানো। আলামত দেখে বুঝতে পারি শিশুটি সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া। আমি ও আমার স্ত্রী শিশুটিকে নিজেদের সন্তান হিসেবে লালন-পালন করবো।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন লিটু জানান, শিশুটি দেখে মনে হচ্ছে এর বয়স বড় জোর ২৪ ঘন্টা হবে হয়তো। শিশুটিকে নিতে ইতিমধ্যে অনেকে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ কন্যা শিশুটি বর্তমানে জাহাঙ্গীরের স্ত্রীর কাছে রয়েছে। জাহাঙ্গীরকে কাগজপত্র করে শিশুটির দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হবে।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ আলম পাতানিশ এলাকায় একটি শিশু জীবিত অবস্থায় পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
