শাহরিয়ার খান কৌশিক ॥
চাঁদপুর সদর উপজেলার ২ নং আশিকাটি ইউনিয়নের হাফানিয়া গ্রামে পরিবারের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে কিশোরী আছমা আক্তার মনি (১৪)। কিশোরীর মানসিক রোগ রয়েছে বলে দোহাই দিয়ে ময়না তদন্ত ছাড়া থানা থেকে লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাপক তদবির চালানো হয়। অবশেষে চাঁদপুর মডেল থানার চৌখোশপুলিশ কর্মকর্তা এসআই ওমর ফারুক ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরন করে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় হাফানিয়া গ্রামের গাজী বাড়ীর সাহেব আলী গাজীর বসত ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে কিশোরী মনি আত্মহত্যা করে। ঘটনার বিবরনে জানাযায়, চানখার দোকান সংলগ্ন নূরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী সাহেব আলী গাজীর মেয়ে আছমা আক্তার মনি তার বাবা মাযের সাথে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। তার পরিবারের লোকজন তাকে গালমন্দ কররে সে অভিমান করে নিজ বসত ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। তার পরিবারের লোকজন তাকে বাঁচানোর জন্য উপর থেকে নিচে নামিয়ে আনে। কিন্তু এরপুর্বেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে। তারা ঘটনাটি কাউকে না জানিয়ে লাশটি দাফন করার চেষ্টা চালায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে নিহত মনির আত্মিয় উত্তর আশিকাটির আক্রাম উদ্দিনের ছেলে বেলায়েত হোসেন গাজী চাঁদপুর মডেল থানায় এসে প্রকৃত ঘটনা চাপা রেখে নিহত মনিকে মানসিক রোগী সাজিয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করে। মামলা নং ১ তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৫। পরবর্তিতে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই ওমর ফারুক ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসে। এরপর থানাকে মিথ্যা তথ্য প্রদানকারি বেলায়েত হোসেন গাজী সহ আরো কয়েকজন থানায় এসে ময়না তদন্ত ছাড়া থানা থেকে লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাপক তদবির চালায়। কিন্তু সেসব তদবিরে কোন কাজ হয়নি। অবশেসে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরন করে। পুলিশ সুত্রে জানাযায় স্কুল ছাত্রি মনি তার পরিবারের সাথে অভিমান করে আত্ম হত্যা করে। তার পরিবারের লোকজন কিশোরীকে মানসিক রোগী বল্লেও ঘটনাস্থলে গিয়ে জানাযায় সে মানসিক রোগী ছিলোনা। তদন্ত ছাড়া তার লাশ নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করার পুর্বেই লাশ ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরন করে।
শিরোনাম:
শুক্রবার , ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১০ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

