চাঁদপুর প্রতিনিধি :চাঁদপুরে পুলিশ ও হরতাল বিরোধীদের সাথে হরতাল সমর্থকদের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার ১৮ দলের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল স্বতস্ফূর্তভাবে পালিত হয়েছে। সংঘর্ষের সময় পুলিশ ৪০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১১ রাউন্ড টিয়ারশেল নিৰেপ করেছে। হরতালকারীদের ইটের আঘাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইদুজ্জামান খান আহত হয়েছেন। এএসপি সদর সার্কেলের দায়িত্বে থাকা এএসপি হেড কোয়ার্টার শচীন চাকমার ব্যবহৃত পিকআপ গাড়িটিতে হরতালকারীরা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে ক্ষতিসাধন করেছে। চাঁদপুর শহরসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে পুলিশসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। আর পুলিশ ২০ জনকে আটক করেছে। গতকাল বিভিন্ন উপজেলা মোটামুটি শানত্দ থাকলেও চাঁদপুর শহর ও বাবুরহাট এলাকায় ভোর থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়। হরতালকারীরা একটি রিক্সা পুড়িয়ে দেয় এবং রাসত্দায় রাসত্দায় টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করে। হরতালকারীদের হাত থেকে সাংবাদিকের মোটর সাইকেলও রৰা পায়নি। এ দিকে হরতালের বিরুদ্ধে চাঁদপুর শহর ও বাবুরহাট এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কয়েক দফা মিছিল করে। বাবুরহাটে হরতাল বিরোধীদের সাথে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
ভোর ৬টা থেকে হরতাল সমর্থকরা রাস্তায় ছিলো। সাড়ে ৬টার দিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নেতৃত্বে বিএনপি কার্যালয় থেকে মিছিল বের করতে নিলে পুলিশ প্রথমে বাধা দেয়। বাধা উপেৰা করে মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। মিছিলটি শহর ঘুরে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার সময় জোর পুকুর পাড় এলাকায় পুলিশ ধাওয়া করে। এ সময় মিছিলকারী কিছু কর্মীর হাতে লাঠিসোটা ছিলো। পুলিশের ধাওয়ায় মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে। এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিৰেপ করে। পুলিশ জোরপুকুর পাড় এলাকায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণের মধ্যে হরতাল সমর্থক বেশ কিছু যুবক লাটিসোটা, ইট ও ব্যাগে করে বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য নিয়ে পুলিশের উপর হামলা করে। পুলিশ পাল্টা জবাব হিসেবে বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ সময় অনেকক্ষণ পুলিশ ও হরতালকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। তখন পুলিশের ধাওয়ায় দৌড় দিতে গিয়ে পড়ে আহত হন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। এরপর নেতা-কর্মীরা বিএনপি কার্যালয়ে অবস্থান নেয়। সকাল ৯টার পর বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন খান বাবুল, রাফিউস সাহাদাত ওয়াসিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক অ্যাডঃ জাহাঙ্গীর হোসেন খান ও সদস্য সচিব হযরত আলী এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বাহারের নেতৃত্বে চাঁদপুর শহরে কয়েক দফা মিছিল বের করা হয়। ছাত্রদলের মিছিলের শেষভাগে কিছু শিবির কর্মীও ছিলো। গতকাল হরতালের সময় জামাত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা তুলনামূলক কমই ছিলো। জামাত ও শিবিরের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতাকে গতকাল হরতালের সময় মাঠে দেখা যায়নি। সকাল ১০টার দিকে পালবাজারের সামনে একটি রিক্সায় হরতাল সমর্থকরা আগুন ধরিয়ে দেয়। রিক্সাচালক বহরিয়া এলাকার মোহাম্মদ আলী জানায়, সে এ রিক্সাটি ভাড়ায় চালাতো। হাসপাতালে রুগী নিয়ে এসে ফিরে যাওয়ার সময় হরতালকারীরা তার রিক্সাটি পুড়িয়ে দেয়। এর আগে চাঁদপুর কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম মোটর সাইকেলসহ পালবাজারের সামনে হরতাল সমর্থকদের দ্বারা আক্রান্ত হন। তারা তার মোটর সাইকেলটির ৰতিসাধন করে। সকালে জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার উদ্দিন শিশুর নেতৃত্বেও মিছিল বের হয়।
সকাল থেকে বাবুরহাট এলাকায় হরতালকারীরা অবস্থান নেয়। সেখানে তারা পিকেটিং ও মিছিল করে। সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন রনির নেতৃত্বে দু’ শতাধিক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী বাবুরহাট এলাকায় হরতাল বিরোধী মিছিল বের করে। এরা হরতালকারীদের ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। মাঠ হরতাল বিরোধীরা দখলে নিয়ে নেয়। এ সময় সেখানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে চাঁদপুর থেকে পুলিশ গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনে।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এএসপি হেড কোয়ার্টার শচীন চাকমার পিকআপ গাড়িটি পশ্চিম দিক থেকে বিএনপি অফিসের সামনে দিয়ে যেতে নিলে হরতাল সমর্থকরা তার গাড়িতে ইট পাটকেল নিৰেপ করে। এ সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে এবং রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে হরতালকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে বিভিন্ন অলিগলি থেকে পুলিশকে লক্ষ করে ইট পাটকেল নিৰেপ করে। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইদুজ্জামান খান আহত হন। পুলিশ এখান থেকে চারজনকে আটক করে। বেশ কিছুক্ষণ বিএনপি অফিস এলাকা, মেথা রোড, জোরপুকুর পাড় ও নতুনবাজার এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিলো। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক জানান, তাদের ১১ জন নেতা-কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। গ্রেফতারের ভয়ে তারা হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে নিরাপদ স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে।
চাঁদপুর শহরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে পুলিশ কমপক্ষে ২০ জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, ছাত্রদল নেতা ছালাউদ্দিন, ফয়সাল, জামাত নেতা অ্যাডঃ শেখ ছালেহের ছেলে হাসিব, বিএনপি কর্মী আরমান, সোহাগ, মহসিন, ফারুক ও মাওঃ হাবিব উল্যা। ভোর থেকে চাঁদপুর শহরসহ আশপাশে এনডিসি রাজিব আহছান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইদুজ্জামান খান, এএসপি হেড কোয়ার্টার শচীন চাকমা, এএসপি রিভার মোসত্দফা হাছান ও চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব মোর্শেদের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ও টহলে ছিলো।
এ দিকে সকাল সাড়ে ১০টার পর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কিছু নেতা-কর্মী দলীয় কার্যালয়ে একত্রিত হয়ে হরতাল বিরোধী মিছিল বের করে। প্রথম মিছিল বের করা হয় পুরাণবাজারের আওয়ামী লীগ নেতা ফজলু, ভাসানী, ডলি, সেলিম ও কামালের নেতৃত্বে। এরপর কেন্দ্রীয় কৃষক লীগ নেতা শাহজাহান চোকদার, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি শাহআলম মিয়া, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাজমুল পাটওয়ারী, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যাপিকা মাসুদা নূর খান, পৌর মহিলা কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াছ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ছিডু খানের নেতৃত্বে হরতাল বেশ কিছু যুবলীগ নেতা-কর্মী হরতাল বিরোধী মিছিল বের করে।
বিরোধী মিছিল বের হয়। এ ছাড়া সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাজমুল পাটওয়ারী, জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান টুটুল ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য কামরুল হাসান কাউছারের নেতৃত্বে
ভোর থেকে বেলা ১টা পর্যনত্দ হরতাল স্বতস্ফূর্তভাবে পালিত হয়। দুপুরের পর থেকে কিছু কিছু রিক্সা চলাচল করে এবং দোকানপাট খুলতে থাকে। বিকেলের পর থেকে মোটরযান ও দূরপালস্নার যানবাহন চলাচল শুরু করে। সর্বাত্মক হরতালে জনজীবন অচল হয়ে পড়ে।
হাজীগঞ্জ:
১৮ দলের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল হাজীগঞ্জে শানত্দিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কের হাজীগঞ্জ উপজেলাস্থ কয়েকটি অংশে পিকেটিং ছাড়া কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। রাসত্দায় রিক্সা ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলতে দেখা যায়নি। তাই পিকেটাররাও সময় কাটিয়েছে খোশ আমেজে। বিকেল সাড়ে ৩টার পর থেকে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠে। এছাড়া হাজীগঞ্জ বাজারের প্রায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিলো।
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের উপর হাজীগঞ্জের বড় একটি অংশ হওয়ায় সকল হরতালে কিংবা অবরোধে হাজীগঞ্জ একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্ব পায়। এর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো হচ্ছে ঃ হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন এনায়েতপুর, হাজীগঞ্জ পূর্ব ও মধ্য বাজার, বলাখাল, বাকিলা। অপরদিকে হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের সেন্দ্রা ও বেলচোঁ বাজারে সবসময় পিকেটারদের পিকেটিং করতে দেখা যায়।
ফরিদগঞ্জ:
১৮ দলের সকাল-সন্ধ্যা হরতালে ফরিদগঞ্জে পুলিশ ও সরকারি দলের নেতা-কর্মীদের কারণে হরতাল সমর্থকরা সরাসরি পিকেটিং করতে না পারলেও তারা কৌশল অবলম্বন করে চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কসহ সবগুলো সড়ক অবরুদ্ধ করে রাখে। স্থানে স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে ও রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পিকেটাররা একটি সিএনজি স্কুটার ভাংচুর করে। বড়ালি এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিংকালে পুলিশ বাধা দিলে পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিৰেপ করে। এ সময় ক’জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ তাৎক্ষণিক পিছু হটে বাড়তি ফোর্স নিয়ে পিকেটারদের ধাওয়া করে।
হাইমচর:
নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল এবং ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের ডাকা মঙ্গলবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই হাইমচরে শানত্দিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। ভোর ৬টা হতে উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন অঞ্চলের নেতাদের নেতৃত্বে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে আলগী বাজারের অগ্রণী ব্যাংক মোড়ে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে সমবেত বিশাল মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাংলা বাজার ঘুরে পুনরায় অগ্রণী ব্যাংক মোড়ে সমাবেশে করে।
মতলব দক্ষিণ:
বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের আহ্বানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সকল নেতা-কর্মীর নিঃশর্ত মঙ্গলবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল মতলব দক্ষিণে শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। হরতাল চলাকালে মিছিল বের করে স্থানীয় বিএনপিসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। হরতালের সমর্থনে মতলব দক্ষিণ উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠন মিছিল বের করে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদৰিণ করে স্থানীয় ম্যাক্সি স্ট্যান্ডে পথসভা করে।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিল্লাল হোসেন মৃধার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান সরকার, যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম সাগর, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক খোকন, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহগিয়াস, ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, ৫নং উপাদী উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিল্লাল খান, থানা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মনির মৃধা, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন মিয়াজী, যুগ্ম আহ্বায়ক মোসত্দফা গাজী, থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক গোলাম মাওলা কচি, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইদুল ইসলাম শিপলু, যুবদল নেতা মুন্না, কাওসার আহমেদ, মফিজ ঢালী ও ছাত্রদল নেতা মোঃ কাজী জামান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন ভূঁইয়া।
