চাঁদপুর পৌরসভা কতৃক ঘোষিত ব্যবহার অনুপযোগী একটি পরিত্যক্ত ও জরাজির্ন ভবনে চলছে চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসের কার্যক্রম। তাও আবার পরিত্যাক্ত এই ভবনটির ভাড়া বাবদ জেলা প্রশাসনকে দিতে হয় ১৫’শ টাকা।
শহরের নিশি বিল্ডিং এলাকায় অবস্থিত এ অফিসে সেবা নিতে আসা সদর উপজেলার কয়েক লক্ষাধিক জনগনকে পড়তে হয় বেশ বেকায়দায়। ভবনের আসপাস এলাকাটি ডুবে আছে নিয়মিত জলাবদ্ধতায়। আর তাই অফিসের কর্মকর্তা ও সেবা গ্রহিতারা সকলেই কাদা পানি মাড়িয়েই আসতে হয় অফিসে। সুধু এখানেই শেষ নয়, প্রায় সময় ভবনের ছাদ থেকে প্লাস্টার খসে পড়ে গায়ে। যার ফলে ভবন ধসেরমত ভড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় নিয়মিত আতঙ্কে তাকতে হয় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা গ্রহীতাদের। সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের একটি বৃহৎ সংখ্যক জনগনকে সেবা প্রদানকারী সরকারী এ অফিসটি স্থানান্তরের জন্য এ পর্যন্ত একাধিক বার সংশ্লিস্ট কতৃপক্ষের নিকট আবেদন করেও পাওয়া যায়নি কোন ভবন বা কক্ষের অনুমোদন। আর তাই এক প্রকার নিরুপায় হয়েই বর্তমানে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলছে অফিসটির কার্যক্রম।
জানা যায়, ১৯৮২ সাল থেকে এই ভবনটি উপজেলা সহকারী স্যাটেলমেন্ট অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসচে। কিন্তু জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সরুপ বিধায় গত ১৬/০৩/২০১৪ইং তারিখে ১০৩২নং স্বারকে চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র নাছির উদ্দিন ভুইয়া ভবনটিকে ঝুকিপূর্ণ বলে ঘোষনা করে। এরপর অফিসটি স্থানান্তরের জন্য উপজেলা নির্বহী অফিসারের নিকট কয়েকবার আবেদন করা হয়। সর্বশেষ গত ১৯/০৫/২০১৪ইং তারিখে উপজেলা পরিষদ ভবনে ৪টি কক্ষ বরাদ্ধের জন্য পুনরায় আবেদন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত অফিসটি স্থানান্তর করা যায়নি।
এ ব্যাপারে সার্ভেয়ার আব্দুর রহমানের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ভবনটি এতটাই ঝুকিপূর্ণ যে, প্রায় সময় ভবনের ছাদ থেকে প্লাস্টার খসে পড়ে। বর্তমানে এ অফিসে কর্মরত সকলেই জীবনের ঝুকি নিয়ে তাদের উপর অর্পিত দায়ীত্ব পালন করছে। এসময় তিনি বলেন দ্রুত অফিসটি স্থানান্তর করা না হলে যে কোন সময় ভবন ধসের মত বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার (চলতি দায়ীত্ব) প্রলয় কুমার রায় বলেন, আমরা ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর ৪টি কক্ষ চেয়ে আবেদন করেছি। এবিষয়ে তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন, এ মুহুর্তে দেয়া সম্ভব নয়। তবে নির্মানাধীন নতুন ভবনটির কাজ শেষ হলে কক্ষ দেয়া যাবে।
পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দুলাল চন্দ্র সূত্রধরের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্বে সহিত বিবেচনায় এনেছি। এ মূহুর্তে দেয়ার মত কোন কক্ষ নেই। তবে নতুন ভবনটির কাজ শেষ হলে যত দ্রুত সম্ভব আমরা অফিসটি উপজেলা পরিষদ ভবনে স্থানান্তরের চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
শিরোনাম:
সোমবার , ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

