স্টাফ রিপোর্টার:
গত দুই সপ্তাহে জেলার বিভিন্ন স্থানে ৬ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এসব শিশুর বয়স ৫ থেকে ১২ বছর। ধর্ষণের ঘটনায় ২ ধর্ষণকারীকে আটক করা হয়েছে। আর বাকি ঘটনায় ধর্ষণকারীরা পলাতক কিংবা মামলা চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
১০ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, কচুয়া ও চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া, পূর্ব শ্রীরামদী, রঘুনাথপুরে এসব ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
১০ ফ্রেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ উপজেলার ২নং বাকিলা ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামের মিজি বাড়ির দুবাই প্রবাসী হারুন মিজির পুত্র সালাউদ্দিন মিজি (১৯) নামে যুবকের লালসার শিকার হয় ৫ বছর বয়সী এক শিশু। ঘটনার পর স্থানীয়রা ধর্ষণকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
১৫ ফ্রেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কচুয়া উপজেলার ভূঁইয়ারা গ্রামের মেহের আলী জমাদার বাড়ির আবুল কাশেম জমাদারের ছেলে ইব্রাহিম জমাদারের হাতে ৭ বছর বয়সী ৩য় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষিত হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণকারী মোঃ ইব্রহিম (১৪) কে আটক করে কচুয়া থানা পুলিশ। ৯ ফ্রেব্রুয়ারি পুরাণবাজার পূর্ব শ্রীরামদী গ্রামের ফরহাদ বেপারীর পুত্র রায়হান বেপারীর হাতে ১২ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষিত হয়।
২৪ ফ্রেব্রুয়ারি ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরকুমারী গ্রামের সৈয়দ আহমেদ (৫৫) নামে এক পাষ-ের ধর্ষণের শিকার হয় ১২ বছর বয়সী এক শিশু। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছে।
২৫ ফ্রেব্রুয়ারি সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের মধ্য বালিয়া গ্রামের ২নং ওয়ার্ডে শুক্কুর খান (৩৫) নামে এক যুবক ধর্ষণ করে ১৪ বছর বয়সী ৭ম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে। অভিযুক্ত শুক্কুর খান পলাতক রয়েছে। এছাড়া ২০ ফ্রেব্রুয়ারি চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে ১৪ বছর বয়সী ও ২২ ফ্রেব্রুয়ারি ফরিদগঞ্জ উপজেলার বাকরা গ্রামে ৫ বছর বয়সী দু শিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নেয়। এসব তথ্য চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট থানা সূত্রে প্রাপ্ত।
