স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গত কয়েক মাস যাবৎ কয়েকটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র সক্রিয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন কায়দায় বোকা বানিয়ে প্রতিদিনই সাধারণ মানুষের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে। এ বিষয়ে বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে বলে সাধারণ মানুষ মনে করছেন।
বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, চাঁদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে খ্যাত কালিবাড়ি কোর্টস্টেশন, শপথ চত্ত্বর, পালের বাজার ব্রিজের গোড়া, হকার্স মার্কেটের বিভিন্ন আনাচে কানাছে, বাসস্ট্যান্ড চিত্রলেখা মোড়ে এ চক্রটি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঘুরে বেড়ায়। তাদের খপ্পরে পড়ে শহরের পরিচিত অনেক শ্রমজীবি, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবিরা নগদ অর্থ, মোবাইলসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রি খুইয়েছেন। ভুক্তভোগী অনেকেই আলাদা বক্তব্যে জানান, তাদেরকে অনেককেই একটি গ্র“প হঠাৎ করে এসে চড় থাপ্পর মেরে টেনে হিচঁড়ে অলি গলিতে নিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। এছাড়াও কালিবাড়ি কোর্ট স্টেশনের ফ্লাটফর্ম ও তার আশপাশের এলাকায় বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলতে থাকে ভ্রাম্যমাণ কিছু পতিতার খদ্দের খোঁজার উপদ্রব। এসব পতিতাদের নেপথ্যে রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্র। যেসব চক্ররা এসব উঠতি বয়সের তরুনীদের দিয়ে দেহ ব্যবসার ফাঁদে ফেলে তাদের কাছ থেকে নগদ অর্থ ও মোবাইল নিয়ে যায়। এছাড়াও কালীবাড়ি কোর্টস্টেশনে পূর্বাঞ্চল থেকে আসা ট্রেনের যাত্রীদেরকে উঠা নামা অথবা একাকি অবস্থানের সময় ছিনতাইকারি চক্ররা নেশা দ্রব্য অথবা তাদের পালিত মেয়েদেরকে নিয়ে সুকৌশলে যাত্রীদেরকে বোকা বানিয়ে সব কিছু লুটিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। সচেতন মহল মনে করেন প্রশাসনের এ ধরণের বিষয়ে এখনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা না রাখলে যুবসমাজ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে। শহরের ছিনতাইয়ের প্রবণতা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাবে। তাই অতি দ্রুত এ বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি আরো বৃদ্ধি করবে বলে ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষ আশা করছেন।

