শুরু হয়েছে বর্ষা। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ দেখা যাবে হাট-বাজারগুলোতে। নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর পানিতে থৈ থৈ। তার সাথে মাছেরও দেখা মিলেছে। সেই সুবাদে চাঁদপুরে মাছ নিধনের মহাৎসব শুরু হয়েছে। একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়ে মাছ শিকারে মেতে উঠেছে। লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নৌকা-জাল নিয়ে মেঘনা মোহনা চুষে বেড়াতে দেখা গেছে শত শত নৌকাগুলি। উত্তাল ঢেউয়ের সাথে তাল মিলিয়ে জেলেরা জীবন বাজি রেখে মাছ শিকারে ব্যস্ত দেখা গেছে। চাঁদপুরে রূপালি ইলিশের আকাল থাকলেও নানা প্রজাতি মাছের অকাল নেই। এখন মাছের মুখ্যম সময়। বিভিন্ন প্রজাতির মাছগুলি নদীতে দেখা গেছে যেমন কাচকি মাছ, টেংরা মাছ, বাইলা মাছ, চিংড়ি মাছ, বাটা মাছ, পাঙ্গাসের পোনা সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে মেঘনা নদীতে। চলতি মৌসুমে মাছের রেনু পোনা জন্ম বিস্তারের সময়ের সাথে সাথে অসাধু ব্যক্তিরা জেলেদের দাদন দিয়ে নদীতে নৌকা জাল দিয়ে নামিয়ে দিয়েছে। বিনিময়ে অসাধু দাদনদাররা ৩ মাসে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেবে। তাদের কারনে জেলাবাসী বড় মাছের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গত কয়েকদিন চাঁদপুর মেঘনা নদীতে ঘুরে দেখা যায়, মতলবের ষাটনল থেকে শুরু করে হাইমচর নীলকমল পর্যন্ত বিরাট এলাকা ঝুড়ে মশারি নট দিয়ে বড় বড় নৌকার বহর মেঘনা বক্ষে জাল ফেলে মাছ শিকার করতে। আর এ সমস্ত জালগুলি নানা প্রজাতির মাছের রেনুগুলো খুব সহজেই আটকা পড়ে যায়। যার জন্য ছোট রেনু পোনাগুলি বড় হত পারছে না। ফলে মেঘনা নদীতে বড় মাছের অকাল দেখা যায়। লক্ষ্য করা যায়, জেলেরা কাক ডাকা ভোরে দল বেধে নদীতে নেমে পড়ে। জোয়ার ভাটার সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিদিন দু’বার মশারি নেট ফেলে মাছ শিকার করছে। চাঁদপুরের নৌ-ফাড়ি পুলিশ থাকলেও তাদের কোন ভূমিকা নেই। কেননা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি নদীতে তাদের দায়িত্ব থাকলেও নিজ দায়িত্ব পালন করছে সড়ক স্থলেই। যার জন্য অসাধু জেলে আর ব্যবসায়ীরা অহরহ ভাবে প্রকাশ্যই মেঘনা নদীতে মশারি নেট দিয়ে রেনু পোনা নিধন করছে। এমনিভাবে চলছে চাঁদপুরের মেঘনা নদী বক্ষের জেলেরা। অপরদিকে অভিযান থাকল চাঁদপুরের কোস্টগার্ড নদী বক্ষে অভিযান চালায়। আর অভিযান পরিচালনার সময় দাদনদারদের দালালরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নদী থেকে জেলেদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলে। ফলে কোস্টগার্ড অভিযান ব্যর্থ হয়। যদি নৌ-পুলিশের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন হতো। তাহলে অসাধু জেলেরা অবৈধভাবে মাছ নিধন করতে পারতো না। যার জন্য চাঁদপুরের হাজার হাজার জেলে কোমর বেধে রেনু পোনা নিধনে মুখরিত হয়ে উঠেছে। আর তাদের জালে আটকা পড়ছে বেশির ভাগই কাচকি, বাইলা, চিংড়ি, টেংড়া। প্রতি কেজি কাচকি মাছের মূল্য ২-৩শ টাকা বিক্রি করতে দেখা যায়। জেলেদের মোশারি নেট ব্যবহারের ফলে মূল্যবান রেনু পোনাগুলি ধ্বংস হচ্ছে। এদের ধ্বংসাত্মক হাত থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রক্ষা করতে কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন মহল। অপরদিকে মৎস্য অধিদপ্তরের নিরব ভূমিকা রহস্যজনক। কেউ কেউ বলছে তাদেরকে মিলমিশ করেই অবাধে মশারি নেট দিয়ে মেঘনা নদীতে রেনু পোনা উৎসব চলছে।
শিরোনাম:
আরও সংবাদ
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ফরিদগঞ্জের তারেকুর রহমান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ লাভ করেছেন... বিস্তারিত
চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে আগামীকাল কোরবানির ঈদ
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল বুধবার চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে... বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা
খোশ আমদেদ ঈদুল আজহা। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার ১০... বিস্তারিত
দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের…
ঈদুল আজহা উপলক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ... বিস্তারিত
আজ নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ
সংসদ সদস্যদের ভোটে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও... বিস্তারিত
১৭ থেকে ২১ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব…
দেশে বিদ্যুতের ঘাটতির লোকসান কমাতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি... বিস্তারিত
সারা দেশে বজ্রাঘাতে ১৪ জনের প্রাণহানি
দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রাপাতে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। গাইবান্ধায় ৫ জন,... বিস্তারিত
কঠোর হচ্ছে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা
কঠোর হচ্ছে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নিয়ম কানুনে। দীর্ঘদিনের প্রশ্নপত্র ফাঁস, নকল ও... বিস্তারিত
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

