ফাহিম শাহরিন কৌশিক খান ॥
আসন্ন ঈদুল আযহা উপলে র্চাঁদপুরে ব্যাপক দেশী ও বিদেশী গরুর আমদানী শুরু হয়েছে। পাশের দেশ ভারত সিমান্ত হয়ে পর্যাপ্ত পরিমানে গরু, মহিষ, ট্রাক ভোজাই করে বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রান্তরে আসতে শুরু করেছে। তেমনি চাঁদপুরে গরু ব্যবসায়ীরা সিমান্ত বর্তী এলাকা থেকে গরু হাটে বিক্রির উদ্বেশ্যে আমদানী কর আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যাান্ত হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় অবস্থান করে দেখা যায়, ট্রাক বোঝাই গরু ব্যবসায়ীরা সিমান্তবর্তী এলাকা থেকে চাঁদপুর হাটে বিক্রীর জন্য আনছে। গরু ব্যবসায়ীরা যে ভাবে গরু আনছে সেভাবে রাস্তায় অনেক চাঁদা দেওয়ায় তাদের ব্যাপক সমস্যাও পরতে হচ্ছে। চাঁদপুর শরিয়তপুর ফেরিঘাট আলুবাজার এলাকায় গরুবোঝাই ট্রাক রাস্তায় দারিয়ে থাকতে দেখা যায়। কারণ ফেরিসল্পতার কারনে সময়মত গরু নিয়ে আসতে পারছে না। গরু ব্যবসায়ীরা চাঁদপুরের হাট গুলুতে গরু বিক্রীর জন্য ভারতিয় গরুর মত দেশী গরু বড় বড় ট্রলার যোগে বিভিন্ন চরাঞ্চল থেকে বিক্রীর উদ্বোশ্যে চাঁদপুরে আনতে দেখা যায়। যেভাবে চাঁদপুরে আসন্ন ঈদ উপলে গরু আমদানী শুরু হয়েছে সে ভাবে গরুর দাম কমার আসংখ্যা রয়েছে। সীমান্ত বর্তী এলাকা থেকে গরু আমদানী কার কয়েকজন ব্যবসায়ী জানায়, ঈদুল আযহা উপলে মুসলমানদের একমাত্র ভরসা ভারতিয় গরু। কারণ দেশী গরু সল্পতার কারনে গরু ব্যবসায়রা ভরত থেকে গরু এনে হাট গুলোতে বিক্রী করছে। ভারত থেকে গরু আমদানী সরকারী ভাবে নিষেদাজ্ঞা থাকলেও ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীরা সুদুমাত্র ঈদ উপলে সীমান্তবর্তী এলকায় গরু এনে ৩০০/৪০০ টাকা টেক্স দিয়ে বাংলাদেশে গরু বিক্রীর উদ্বেশ্যে আনছে। বিজিবিরা টেক্স নিয়ে ভারতীয় গরুর পাছায় ছিল মেরে গরু ব্যবসায়ীদের রিসিট ধরিয়ে দিচ্ছে। এছাড়াও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী টেক্স ফাকী দিতে অবৈধ ভাবে গরু আমদানী করছে। বাংলাদেশের যশোর জেলার বেনাপোল পুটখালী, সাতীরা জেলার ভোমরা বডার, চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা, রাজশাহী ও কুড়িগ্রাম সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ট্রাক বোঝাই করে গরু চাঁদপুর সহ বিভিন্ন জেলায় আসছে। যেভাবে গরু চাহিদা রয়েছে তার সবটুকু ভারতীয় গরু মিটাবে। দেশী গরুর চেয়ে ভারতীয় গরুর আমদানী বেশী হওয়ায় দামও অনেকটা নাগালের মধ্যেই থাকবে। গত ঈদের মত এবার গরুর দাম অনেকটা কম হওয়ার আশংখ্যা রয়েছে। ইতিমধ্যে চাঁদপুরে বিভিন্ন হাট গুলুতে গরু ব্যবসায়ীরা ব্যাপক গরু আমদানী করতে শুরু করেছে। দাম বেশী হওয়ার আশংখ্যায় অনেক ক্রেতারা পূর্ব থেকেই গরু কিনে কোরবানীর জন্য পালতে শুরু করেছে। মূলত পূর্বের মতই এবারও গরুর দাম অনেকটা কমার আশংখ্যা রয়েছে বলে ব্যবসায়ীদের ধারনা।

