শাহারিয়ার খান কৌশিক ॥
২০ দলীয় জোট বিএনপির চেয়ারপ্যারসন বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে সারা বাংলাদেশের ন্যায় চাঁদপুরে অবরোধ ও হরতাল চলাকালে ব্যাপক গাড়ি ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী কে আসামী করে চাঁদপুর মডেল থানায় ১৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। চাঁদপুর নাশকতার অভিযোগে পুলিশের দাযেরকৃত মামলায় বিএনপি ও জামাত শিবিরের ১৬জন নেতাকর্মীকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। শনিবার মডেল থানার এস.আই আবু সাঈদ জে.এম সেনগুপ্ত রোড থেকে সেচ্ছাসেবক দলের নেতা জোটন কে ও এস.আই ফিরোজ আলম নেতিত্বে এ.এস.আই নন্দন সরকার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রহমতপুর কলোনী এলাকা থেকে যুবদলের নেতা খলিলুর রহমান শুক্কুর (৪৫) কে আটক করে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি জামাত শিবিরের জটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে বাকীদের আটক করা হয়। আটকৃতরা হলো গুলিসার গ্রামের দানিয়াল খান (২০), মোঃ খান (২৮), বাখরপুরের কাদের খান (২৮), বিষ্ণুদী মিশন রোডের মোঃ শফিক (৪২), লক্ষিপুরের রবিউল হক মিনহাজ (১৮), নাজির পাড়ার মজিবুর রহমান (৪২), ফরিদগঞ্জ লালতলী আঃ রহিম (২৫), শরীফ হোসেন (২০), নুরুল ইসলাম (২৮), চেয়ারম্যান ঘাটের রনি বেপারী (১৮), আলমগীর বেপারী (৪০), সোহেল বেপারী (২৫), রিয়াদ হোসেন (১৪), রহমতপুর কোলনীর খলিলুর রহমান শুক্কুর (৪৪), ক্লাব রোডের সুজন খান (১৮), আদালত পাড়ার ছোটন বেপারী (৩০) । আটকৃতদের গতকাল শনিবার দুপুরে আদালতে প্রেরন করলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধ চলাকালে যানবাহন ভাংচুর অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তাদের কে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। চাঁদপুরে নাশকতা বন্ধের লক্ষ্যে পুলিশ সর্বদা সজাগ রয়েছে। যারা নাশকতা সৃষ্টি করবে তাদের কে গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আঃ কাইয়ুম জানায়, অবরোধ ও হরতাল চলাকালে শুধুমাত্র চাঁদপুর সদরে মডেল থানায় এপর্যন্ত ১৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়নন্ত্রন করতে নাশকতাকারীদের গ্রেফতার করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

