চাঁদপুরে প্রধান নদী মেঘনার পানি অস্বাভিক বৃদ্ধি পাওয়ায় ও বিভিন্ন স্থানে ৪টি গাড়ি-কভার ভ্যান রাস্তার গর্তে পড়ে যেয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত দু’দিন যাবৎ হঠাৎ করে চাঁদপুর-শরিয়তপুর ফেরিঘাটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দু’পাড়ে শত শত গাড়ি আটকা পড়েছে। জোয়ারের সময় চাঁদপুরে হরিণা ফেরি ঘাট ও শরিয়তপুরের নরসিংহপুর ফেরিঘাটের পন্টুনের র্যাম ডুবে যাওয়ায় কোন গাড়ি ফেরিতে উঠা নামা করানো যাচ্ছে না। এর ফলে উক্ত ফেরি রুটে যানবাহনকে ১০/১২ ঘন্টা ভাটার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয় বিআইডাব্লিউটিসির ম্যানেজার এমরান হোসেন জানান, চাঁদপুর-শরিয়তপুর ফেরি রুটে তিনটি ফেরি চলাচল করলেও জোয়ারের সময় পানি বৃদ্ধির ফলে পন্টুনের র্যাম ডুবে যাওয়ায় ভাটার অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে দু’পাড়ে শত শত মাল ও যাত্রীবাহী গাড়ি আটকা পড়েছে।
এ দিকে চাঁদপুরের শাখা নদী ডাকাতিয়া ও ধনাগোদা নদীর পানিও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে নদী তীরবর্তী এলাকা ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। চাঁদপুর পাউবো অফিস ও স্থানীয় নদী বন্দর অফিস সূত্রে জানা যায়, মেঘনার পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২৫ থেকে ৩০ সে:মি: বৃদ্ধি পেয়েছে। চাঁদপুরে এ তিন নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতোমধ্যে শহরের ৫ ও ১০নং ঘাটের রাস্তার উপর পানি উঠে গেছে। পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজ রোড, মধ্য শ্রীরামদী এলাকা হাঁটু পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়া নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলের অবস্থা খুবই খারাপ। গ্রামাঞ্চলের নিচু এলাকা হঠাৎ করে পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় রোপা আমন ও বীজতলার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।

