
কচুয়া প্রতিনিধি ঃ
হোনলাম একবছর অইছে আমাদের নামে ভিজিডি কার্ড আইছে তাহলে আমাদের চালগুলো কে খায় ? সংবাদিককরা কি গরীবেরলীগ্যা লেখবনি ? সাংবাদিক দেখে এমন করেই কথাগুলো বললেন, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৩নং বিতারা ইউপির ১নং ওয়ার্ডের হরিপুর গ্রামের ৪ মহিলা। তাদের নামের চাল ফেরৎ পেতে ও জড়িত মেম্বার ও ইউপি সচিবের শাস্তির দাবীতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ করেছে ভিজিডি কার্ডধারী চাল বঞ্চিত মহিলারা।
অভিযোগে জানাযায়, ভিজিডি চক্র ২০১৫-২০১৬ কর্মসুচীর উপকারভোগী মহিলা নির্বাচনের সময় হরিপুর গ্রামের ১। জেসমিন বেগম,স্বামী- মোঃ মোজাম্মেল হক ২। নিলুফা আক্তার পিতা-মোঃ শাহজাহান ৩। জেসমিন আক্তার স্বামী- মোঃ আবুল বাশার মজুমদার ৪। ইয়াছমিন বেগম স্বামী মোঃ জমির হোসেন। তাদেরকে ভিজিডি কার্ড করে দিবে বলে তাদের নিকট থেকে ছবি, ভোটার আইডি কার্ড ও ১ হাজার টাকা করে নিয়েছে ৩নং বিতারা ইউপির ১,২,৩ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেম্বার তফুরা বেগম। কয়েকমাস অতিবাহিত হওয়ার পর তারা তফুরা মেম্বারকে জিজ্ঞাসা করেছে আমাদের কার্ড কবে হবে। জবাবে তফুরা মেম্বার বলেছে আপনাদের কার্ড হয়না। এতেই তারা ক্ষান্ত হয়ে গেছে।
প্রায় ১ বছর পর ২৪ নভেম্বর মহিলারা জানতে পারে তাদের নামে ২০১৫ সালের জানুয়ারী মাসে ভিজিডি কার্ড বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। সে কার্ড ইউপি সচিব মহিলাদেরকে না দিয়ে মহিলা মেম্বারের সাথে আতাত করে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল উত্তোলন করে আত্বসাৎ করে আসছে। এ সংবাদ জানার পর মহিলারা তফুরা মেম্বারের বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে সাংবাদিকের কাছে গিয়ে অভিযোগ করে বলেন, আপনারা আমাদের গরীবের পক্ষে কিছু লিখেন। ১ বছর যাবৎ আমাদের চালগুলো খেয়ে ফেলছে মেম্বার ও ইউপি সচিব। এছাড়াও তারা তাদের নামের আত্বসাৎকৃত চাল ফেরৎ পেতে ও জড়িত মেম্বার ও ইউপি সচিবের শাস্তির দাবীতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ করেছে ভিজিডি কার্ডধারী চাল বঞ্চিত মহিলারা।
এব্যাপারে ইউপি সচিব বলেন,কার্ড যখন বরাদ্ধ হয়েছে আমি মেম্বারদেরকে দিয়ে দিয়েছি তারা যেন কার্ডগুলো বিতরন করে দেয়। তারা যদি কার্ড না দিয়ে চাল আত্বসাৎ করে সে জন্য তাদের শাস্তি হবে।
