
শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥
চাঁদপুরে ৩ স্কুল ছাত্রীকে অপহরন করে নির্ঝন স্থানে নিয়ে ১ জনকে টয়লেটের ভিতর ঢুকিয়ে ধর্ষন করেছে হারুন(২৫) নামে এক লম্পট। ধর্ষনের ঘটনায় চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে ধর্ষনকারীকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। শনিবার রাত ৮ টায় চাঁদপুর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মোশারফ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে খবর পেয়ে লঞ্চঘাটে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। আটক হারুনের বিরুদ্ধে স্কুল ছাত্রীর মা বাদি হয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় ধর্ষন মামলা দায়ের করে। মামলা নং ৫৪ তাং ৩১/১/২০১৬। রবিবার তাকে আদালতে প্রেরন করলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেলা কারাগারে প্রেরন করে।
জানা যায়, সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আমানউল্লার মেয়ে উত্তর বালিয়া নাজির শাহ প্রাইমারি স্কুলের ৪র্থ শ্রেনির ছাত্রীর ফুফাত ভাই হত্যা মামলার আসামি বাগাদির মইর বাড়ির শফিক গাজীর ছেলে লম্পট হারুন সিএনজি নিয়ে স্কুলের সামনে গিয়ে ওৎ পেতে থাকে। বিকেল ৩ টায় স্কলি ছুটি হওযার পর ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী আমানউল্লার মেয়ে তার সহপাঠি ফাতেমা আক্তার কেয়া (১০) ও ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী সায়মা আক্তার মনি (১১) সহ বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা লম্পট হারুন তাদেরকে ঘুরানোর নাম করে সিএনজিতে ওঠায়। তাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুড়িয়ে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলে বাগড়া বাজার এলাকায় নির্জন স্থানে সিএনজিটি রেখে ফাতেমা ও সায়মাকে চিপসের প্যাকেট দিয়ে বসে থাকতে বলে। পরে লম্পট নাছির তার মামা আমানউল্লার মেয়েকে নিয়ে জঙ্গলের গভিরে থাকা টয়লেটের ভিতরে ঢুকিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। ধর্ষনের পর সিএনজিতে থাকা ঐ ২ স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষন করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে তার ডাক চিৎকার করলে তাদেরকে বাড়ির কাছে এনে ছেড়ে দেয়। স্কুল ছাত্রীরা বাড়িতে গিয়ে ধর্ষনের ঘটনা জানালে হারুনকে ধরার জন্য চেষ্টা করে। পরে তাকে ফোন করে তার অবস্থান লঞ্চঘাট জানতে পেরে নৌ-পুলিশকে ঘটনাটি জানায়। শনিবার রাত ৮ টায় চাঁদপুর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মোশারফ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে খবর পেয়ে লঞ্চঘাটে অভিযান চালিয়ে হারুনকে আটক করে। ঠিক ঐ সময় স্কুল ছাত্রীর পরিবারের লোকজন উপস্থিত হলে স্কুল ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ধর্ষনের ঘটনা জানতে পারে পুলিশ।
