শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥
চাঁদপুর পুরানবাজারে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে রশি দিয়ে বেঁধে এক যুবককে পিটিয়ে জখম করেছে। গুরুত্তর আহতঅবস্থায় রুবেল(২২)কে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর সে বর্তমানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩ টায় ছৈয়াল বাড়ি রোড খোরশেদ গাজীর বাড়িতে। এ ঘটনায় আহত রুবেলের বাবা আশরাফ ছৈয়াল বাদি হয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চাঁন্দ্রা ইউনিয়নের দক্ষিন বালিয়া গ্রামের জব্বর ঢালির দোকানের সামনে ছৈয়াল বাড়ির আশরাফ ছৈয়ালের মেয়ে রুবির সাথে পুরানবাজার ছৈয়াল বাড়ি রোডের পাটওয়ারী বাড়ির জাহাঙ্গীর পাটওয়ারীর বিয়ে হয়। আশরাফ ছৈয়ালের ছেলে রুবেল সেই সুবাধে তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পাশের বাড়ির হানিফ দিদারের মেয়ে রাত্রি(১৭) এর সাথে ৩ বছর যাবত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। এই খবর মেয়ের বাবা হানিফ দিদার জানতে পেরে মেয়েকে চাপ প্রয়োগ করে। পরে মেয়ের মোবাইলে ছেলে রুবেলকে ফোন করে দেখা করার জন্য আসতে বলে। রুবেল ঢাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে লঞ্চ যোগে চাঁদপুরে এসে বোনের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। উদ্দেশ্য ছিলো প্রেমিকা রাত্রির সাথে দেখা করার। রুবেল আসার খবর পেয়ে মেয়ের বাবা হানিফ দিদার ও তার ছেলে রনি ,জনি পূর্বে উৎ পেতে থেকে তাকে রাস্তা থেকে রাতের আধাঁরে তাকে ধরে ছৈয়াল বাড়ি রোড খোরশেদ গাজীর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে। পরে রুবেলকে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে গুরুত্তর আহত করে মাটিতে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে বোনের জামাই জাহাঙ্গীর লোকজন নিয়ে আহত অবস্থায় রুবেলকে খোরশেদ গাজীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করায়। রুবেলের বাবা বাদি হয়ে মেয়ের বাবা ও ভাইদের আসামি করে অভিযোগ দায়ের করলে মডেল থানার এএসআই পলাশ বরুয়া শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেন। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। থানায় অভিযোগ করায় মেয়ের বাবা হানিফ দিদার বাদিকে ও প্রেমিক রুবেলকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে বলে আহতের পরিবারের লোকজনরা জানায়।
