
স্টাফ রিপোর্টার: ঃ
রেলওয়ের বিদ্যুৎ অবৈধভাবে ব্যাবহার করে চাঁদপুর রেলওয়ে গেইটঘর পুড়ালো অবৈধ ফল ব্যাবসায়ীরা । অগ্নিকান্ডে রেলওয়ের প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিসাধন হয় বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়। এ ঘটনায় চাঁদপুর রেলওয়ে থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ১শ’ জনের নাম সহ ১০৬ জনের বিরুদ্ধে শনিবার বিকেলে এস.এ.ই কার্য্য লাকসাম রাম নারায়ন ধর বাদী হয়ে রেলওয়ে থানায় ১টি মামলা দায়ের করে। এছাড়া শনিবার বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ের ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি পুড়ে যাওয়া কোর্ট ষ্টেশন এলাকার গেইট ঘরটি পুড়ে যাওয়া স্থান পরিদর্শন করেন বলে টিআই মাসুদ সারোয়ার জানান।
জানা যায়,গত রবিবার গভীর রাতে শহরের কোর্ট ষ্টেশন রেলওয়ে গেইট ঘরটি বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়ে পুড়ে যায়। এ সময় আসে পাশে থাকা ৭টি অবৈধ দোকানও পুড়ে ভূস্মিভূত হয়। ফল ব্যাবসায়ীরা রেলওয়ের জায়গায় দীর্ঘ বহু বছর যাবত অবৈধ দোকান নির্মান করে রেলওয়ের গেইট ঘর থেকে অবৈধ ভাবে চুরি করে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যবসা করে যাচ্ছে বলে রেলওয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের ফোরম্যান বিল্লাল হোসেন জানান। হঠাৎ রবিবার সে অবৈধ বিদ্যুৎ থেকে ফলের দোকানে রাত প্রায় সারে ৩ টায় অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়। ৭টি দোকান সহ গেইট ঘরটি সম্পূর্ন পুড়ে ভস্মিভূত হয়। ঘরের ভিতরে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা ৩ জনকে স্থানীয়রা দরজা ভেঙ্গে বাহির করার কারনে তারা প্রানে রক্ষা পায়। এ ব্যপারে চট্টগ্রাম রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মোঃ মুনাফ ,মোঃ লতিফ,সৈয়দ আলী গাজী,মোঃ মঞ্জু,শ্যামল দাস ও নুরে আলম সহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত শতাধিক সহ মোট ১০৬ জনের নামে ১টি মামলা রেলওয়ে থানায় দায়ের করা হয়। মামলা নং-০৬। অবৈধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া শনিবার বিকেল ৫ টায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল ইসলাম,টিআই মাসুদ ও সিগ্নাল ইন্সপেক্টর সহ ৩ সদস্য তদন্ত টিম গঠনাস্থল পরিদর্শন করেন । তারা আগুনে পুড়ে যাওয়া গেইট ঘরটির আসে পাশের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলেন এবং অবৈধ ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে তাদের ৬ জনের ছবি ক্যামেরা বন্দী করে নিয়ে যান।
