
রফিকুল ইসলাম বাবু ॥
চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডের গোলাপ খার বাড়িতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুল ছাত্রীকে মারধর করেছে বখারে প্রবাসী যুবক। ঘটনার পর থেকে বখাটে সেলিম খানসহ পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ১২ ডিসেম্বর রোববার বিকেলে মৈশাদী ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডের গোলাপ খার বাড়ির অঙ্গিনায় বাচ্চরা দুষ্টামি করলে মৃত মুনসুর গাজীর ছোট মেয়ে হামাককদ্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী সোনিয়া আক্তর (১৩) তাদেও বাড়ন করে। পরে একই বাড়ির বখাটে প্রবামসী যুবক সেলিম খান ঘটনাকে কেন্দ্র সোনিয়া আক্তারের ঘরে ঢুকে বেধম মারধর করেছে। সোনিযার ডাকচিৎকাওে আশপাশের বাড়ির লোকজন ছুটে আসলে বখাটে প্রবাসী সেলিম খান পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সোনিয়াকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোনিয়া আক্তার গত ৪দিন যাবৎ সদর হাসপাতালের ৪র্থ তলায় বিছানায় কাতরাচ্ছে। বাবা বেচে না থাকায়, মা বাবুরহাট বিসিকে শ্রমিক হিসেব কাজ করে। তাদের আর্থিক অবস্থা তার কেউ খোজ খবর নেয়নি। বরং যে মারধর করে আহত করেছে দেখতে যাওয়াতো দূরের কথা খোজ খবরও নেয়নি। সোনিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎক তাকে কুমিল্লায় প্রেরণ করে। কিন্তু আর্থিক দৈনতার অভাবে সোনিয়র মা নাজমা মেয়েকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা নিতে পারছেন না। মারধর করার কারণে সোনিয়া আক্তার ৭ম শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষার ২টি পরীক্ষা দিলেও বাকি পরীক্ষাগুলো দিতে পারেনি। এবিষয়ে এলাকাবাসী বখাটে সেলিম খানের দৃষ্টান্ত শাস্তি দাবী করে।
এবিষয়ে মৈশাদী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মানিক পাটওয়ারী বলেন, ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী সোনিয়া আক্তরকে মারধরে বিষয় আমি ও আমার ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার জানে না। বিষয়টি সাজানো হতে পারে। বর্তমানে মেয়েরা মানুষকে হেওপতিপূর্ণ করার জন্য এসব কাজ কওে থাকে। তবে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি জেনে সাংবাদিকদের জানাবো।
