
স্টাফ রিপোর্টার:
বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজটির অতীত ঐতিহ্যের কথা আবার স্মরণ করিয়ে দিলো তিন মেধাবী ছাত্রী। এ কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ওই তিন ছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। বাবুরহাট কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া মোট চারজনের মধ্যে তিনজনই এ অভাবনীয় সাফল্য দেখালো।
চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডস্থ বাবুরহাটে অবস্থিত চাঁদপুরের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজটি অন্যতম। মাধ্যমিক দিয়ে শুরু হওয়া এ বিদ্যালয়টি শতবর্ষ পেরিয়ে ১শ’ ১৮তম বছরে পদার্পণ করেছে। এ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছে এমন ছাত্র-ছাত্রী অগণিত। ১৯৯৫ সালে বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয়টি কলেজে রূপান্তরিত হওয়ার পর থেকে এ বিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অতীতের সুনামের ধারাবাহিকতা বজার রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে অত্যন্ত সুনামের সাথে। বর্তমানে এ কলেজটিতে অধ্যক্ষ মোঃ মোশারেফ হোসেনের তত্ত্বাবধানে ৪ জন সহকারী অধ্যাপক ও ১৭ জন প্রভাষক রয়েছেন। এঁরা শিক্ষার মান উন্নয়নসহ আধুনিক প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী ও আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত করে ভালো ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। বর্তমান অধ্যক্ষ বেশ কর্মঠ এবং পরিশ্রমী। প্রতি বছরই এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক ও কলেজ শাখায় এ প্লাসসহ গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে শিক্ষার্থীরা উত্তীর্ণ হচ্ছে। (২য় পৃষ্ঠায় দেখুন)২০১৬ সালে এ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ৪৩২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৩৩৯জন উত্তীর্ণ হয় এবং ৪জন এ প্লাস এবং ৫৫জন এ গ্রেড পায়। এ প্লাস পাওয়া ৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে তিনজনই দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ প্রাচ্যের অঙ্ফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের সেরা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। এরা হচ্ছেন : বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মোশারেফ হোসেনের মেয়ে হুমায়ারা নাজ হিমি (এপলাইড কেমিস্ট্রি এবং ক্যামিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং), ডাঃ মোঃ আশরাফ আলীর মেয়ে আফসানা আক্তার রূপা (বায়ো কেমিস্ট্রি) ও মোঃ আবুল বাসারের মেয়ে কুহিনুর আক্তার (বায়োলজি)। এরা তিনজনই বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে এ প্লাস ও এ কলেজ থেকে এইচএসসিতে এ প্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।
তাদের এ সফলতার বিষয়ে জানতে চাইলে তার জানায়, আমাদের এ সফলতার পেছনে রয়েছে আমাদের চেষ্টার পাশাপাশি স্কুল ও কলেজের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা। তারা আরো জানায়, এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কাছে তারা চির ঋণী। এ কৃতিত্বের জন্যে তারা এ প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক এবং তাদের পিতা-মাতাকে ধন্যবাদ ও তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
