
রিফাত কান্তি সেনঃ
ভাঙা রাস্তায় দূর্ভোগে চাঁদপুরের লোহাগড় গাজীপুর,চান্দ্রা,চাঁদপুর সড়কের যাত্রীরা। একটি ব্রিজ আর এক কিঃমিঃ রাস্তা মেরামত হলেই দূর্ভোগের যন্ত্রনা থেকে রেহাই পেতো লোহাগড়,গাজীপুর, চান্দ্রা সড়কের চলাচলকৃত যাত্রী সাধারন। ভাঙা রাস্তাকে উপেক্ষা করে প্রতিদিন শত-সহস্র যানবাহনের চলাচল রাস্তাটি ধরে।
বেহাল দশা রাস্তাটির।ভেঙে চুড়মাড় ব্রিজটি ও। অসংখ্য খানা-খন্দ আর বালির স্তুপ যেনো জনভোগান্তীর মাত্রা তুঙ্গে নিয়ে গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাস্তাটি একটি সংযোগ সড়ক হিসেবে নাগরিকদের প্রত্যহ চলাচলে বিশাল ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে চৌরাঙ্গী,কড়ৈতলী, গাজীপুর এমন কি ফরিদগঞ্জের মানুষের স্বল্প সময়ের যাতায়াত কেন্দ্রিক রাস্তা হিসেবে লোহাগড় সড়কটি বেশ সাচ্ছন্দ দিয়ে এসেছিলো। কিন্তু বর্তমানে রাস্তাটির বেহাল দশা। গর্ত,বালির স্তুপ আর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজের কারণে প্রতিদিন ছোট খাটো দূর্ঘটনা ও ঘটছে।
রাস্তাটিতে এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বল্প পরিমান ‘যানবাহন’ বিশেষ করে সি,এন,জির যাতায়াত বেশী লক্ষ করা যায়।আবার কয়েক’শ হাত বিকল, ভাঙা রাস্তা আর ভাঙা ব্রিজটিকে উপেক্ষা করে যাত্রীরা পায়ে হেঁটে কোন মতে পারি দিচ্ছেন রাস্তাটি।
লোহাগড় একটি কৃষি কেন্দ্রিক এলাকা। বিপুল শষ্য জমিতে ফলন হয়।কিন্তু এই একটি ব্রিজ আর ভাঙা রাস্তার কারণে পণ্য পরিবহনে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে। ঐ এলাকাবাসী অনেকেই বলেন,” ভাই আমাদের রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।কয়েক বছর আগে রাস্তাটি সংস্কার করা হলে ও অবৈধ ট্রাকের কারণে রাস্তাটি এখন মৃত্যুকুপে পরিণত হয়েছে। ব্রিজটির নাকাল অবস্থা।যে কোন মুহুর্তে ভেঙে পড়তে পারে ব্রিজটি। এ ব্যাপারে আমরা আপনাদের মাধ্যমে কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
“ওসমান খাঁ” একজন সি,এন,জি চালক। অনেকদিন ধরেই তিনি সি,এন,জি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন।তিনি বলেন,”সংক্ষেপে চাঁদপুর পৌছানোর একমাত্র সংযোগ সড়ক এটি।তাই অনেক সময় তাড়াতাড়ি গন্তব্যে পৌছানোর জন্য সড়কটি ব্যবহার করি জীবনে ঝুঁকি নিয়ে।
গাজীপুর,ফরিদগঞ্জ,চৌরাঙ্গীর যাত্রীরা খুব অল্প সময়ে এই রাস্তাটি ধরে তাদের গন্তব্যে পৌছে যেতে পারে।”তিনি আরো বলেন,” অচিরেই যদি এই ব্রিজটি ও সড়কটি মেরামত করা হতো তবে যাত্রীদের ভোগান্তী কিছুটা হলে ও লাঘব হতো।
