মিজানুর রহমান॥
চালের মজুতদারী, কৃত্রিম সংকট ও দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে জেলা প্রশাসন, চেম্বার ও রাইস মিল মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি চালের বাজার মনিটরিং করার জন্য মাঠে নেমেছে ভ্রাম্যমান আদালত। ২০ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫ টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরাণবাজারের বিভিন্ন চালের আড়তে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোমেনা আক্তার এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নারায়ন চন্দ্র পাল।এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর চেম্বারের সহ সভাপতি তমাল কুমার ঘোষ, সিনিয়র পরিচালক হাজী কাশেম গাজী, চাঁদপুর রাইস মিল মালিক সমিতির সভাপতি পরেশ মালাকার, পাইকারি চাল ব্যবসায়ি ও ধান ক্রাশার হাজী নাজমুল আলম পাটওয়ারী,হাজী আবুল বাশার কাশেম প্রমুখ। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোমেনা আক্তার জানান, চালের দাম সহসনীয় পর্যায় রাখার জন্য সরকারের নির্দেশ মোতাবেক আমরা বাজার মনিটরিং করছি। চেম্বার নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়িরা এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন।
এ দিকে গতকাল চালের পাইকারি বাজার ঘুরে জানা যায়, এলসির স্বর্না চালের কেজি যেখানে ৪৮ সাড়ে ৪৮ টাকা ছিলো তিন চার টাকা কমে ৪৪/৪৫ টাকায় এখন বিক্রি হচ্ছে।চাঁদপুরের লোকাল মিলের চাল আটাশ ৫২ টাকা থেকে কমে ৫০ টাকায় ,৬০/৬১ টাকার মিনিকেট রজনীগন্ধা ৫৮/৫৯ টাকা কেজি। মিডিয়াম মিনিকেট ৫৬ টাকা থেকে দুই টাকা কমে ৫৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭২ টাকার চিকন নাজির সাইল এখন ৭০ টাকা। পুরাণবাজার চাউলা পট্টির কাউছার ট্রেডার্স ও মিনারা ট্রের্ডাস সূত্রে জানা যায় এ তথ্যে। পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব এখনো পড়েনি।
চাঁদপুর রাইচ মিল মালিক সমিতির সভাপতি পরেশ মালাকার জানান, চাঁদপুর খাদ্য খাটতি জেলা। আমরা নর্থ বেঙ্গল ও বর্ডার এলাকা থেকে চাল এনে এখানে বিক্রি করছি। চালের দাম বৃদ্ধিতে এখানে কোনো ধরনের কারসাজি নাই। ভারতে চালের দাম বেশি এবং সেই দেশ বাংলাদেশে চাল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে এমন খবরে চালের দাম বেড়ে যায়। এখন বাজার নিম্মগতি ,আগের চেয়ে ৩/৪ টাকা কেজিতে কম চালের দাম।
