স্টাফ রিপোর্টার:
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর জেলার পাঁচটি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী এখন ৩৬ জন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে এ সংখ্যা দাঁড়ালো। বৈধ প্রার্থী (আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া তিনজসহ) ৫৪ জনের মধ্যে ৯জন প্রত্যাহার এবং ৯জন অটোমেটিক বাদ পড়ে যাওয়ায় এখন চূড়ান্ত প্রার্থী হচ্ছেন ৩৬জন। এই ৩৬জনের মধ্যে আজ প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।
গতকাল ৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে নির্ধারিত সময়ের পর জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল সকাল থেকে বিকেল পাঁচটার মধ্যে কোনো কোনো প্রার্থী নিজে এসে আবার কোনো প্রার্থী প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রত্যাহারপত্র রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠান। এই সংখ্যা হচ্ছে ৯ জন। আর যেসব আসনে দলের একাধিক মনোনীত প্রার্থী ছিলো, সে সব আসনে চূড়ান্ত একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়ার পরও যারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেননি, তাদের প্রার্থিতা ইসির নিয়ম অনুযায়ী অটোমেটিক বাদ হয়ে গেছে। এমন প্রার্থীর সংখ্যাও ৯জন। তাই চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে মোট বৈধ প্রার্থী থেকে ১৮জন বাদ পড়ে গেলেন। এই ১৮জন হচ্ছেন- চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে মোঃ গোলাম হোসেন (আওয়ামী লীগ), আনম এহসানুল হক মিলন (বিএনপি) ও নাজমুন নাহার বেবী (বিএনপি), চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) আসনে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম (আওয়ামী লীগ) ও তানভীর হুদা (বিএনপি), চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনে অ্যাডঃ ফজলুল হক সরকার (নাগরিক ঐক্য-ধানের শীষ), রাশেদা বেগম হীরা (বিএনপি), এসএমএম আলম (জাতীয় পার্টি-জেপি-ধানের শীষ), অ্যাডঃ সেলিম আকবর (গণফোরাম) ও আবু জাফর মোঃ মাঈনুদ্দিন (ইসলামী ফ্রন্ট), চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া (আওয়ামী লীগ), জাহিদুল ইসলাম রোমান (স্বতন্ত্র), কাজী রফিক (বিএনপি), রিয়াজ উদ্দিন নসু (বিএনপি) ও ড. মোহাম্মদ শাহজাহান (গণফোরাম) এবং চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে এমএ মতিন (বিএনপি), ড. নেয়ামুল বশির (এলডিপি) ও মনির হোসেন মজুমদার (জাসদ-ইনু)।
এদিকে বাছাইতে বাদপড়া ৮জনের মধ্যে তিনজন নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এঁরা হচ্ছেন চাঁদপুর-৪ আসনে রিয়াজ উদ্দিন নসু এবং চাঁদপুর-৫ আসনে খোরশেদ আলম খুশু (জাতীয় পার্টি) ও ড. নেয়ামুল বশির। এই তিনজনের মধ্যে রিয়াজ উদ্দিন নসু ও নেয়ামুল বশির প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, চাঁদপুর জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৫৯জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাছাইতে ৮জনের মনোনয়ন বাতিল হয়ে বৈধ প্রার্থী হয় ৫১ জন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তিনজন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর মোট বৈধ প্রার্থী হন ৫৪ জন।
