স্টাফ রিপোর্টারঃ ।। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র বাকি ৯ দিন।প্রচারনা চালাতে পারবেন আর ৭ দিন।শেষ মূহুর্তের প্রচারনায় সব দলের প্রার্থীদের যেখানে সরব থাকার কথা। চাঁদপুরের ৫ টি আসনে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র।
এখানে জয় বাংলা,জিতবে এবার নৌকা।শেখ হাসিনার সালাম নিন,নৌকা মার্কায় ভোট দিন।নৌকা,নৌকা মিছিল শ্লোগান আর গান বাজনার প্রচারনায় মুখোর আওয়ামীলীগের প্রতিটি নেতা কর্মি ও সমর্থক।এলাকা ভিত্তিক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরনও করছেন তারা।
এ ছাড়া নৌকার প্রার্থীরা স্ব স্ব এলাকায় প্রতিদিনের নির্ধারিত নির্বাচনি উঠোন বৈঠক,পথসভা ও গনসংযোগ করে নির্বাচনি মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। সোজা সাপটা কথা নির্বাচনি মাঠে পুরোটাই আওয়ামী লীগের দখলে।
তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে ভোট চেয়ে প্রচারনা চালাচ্ছেন চরমোনাই পীর
সাহেবের হাতপাখা,বাসদের মই ও জাকের পার্টির গোলাপ ফুল মার্কার প্রার্থী এবং তাদের দলের কর্মি ও সমর্থকরা।
কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়ছেন।প্রচার প্রচারনায় নেই নেতা কর্মিরা। তারা নির্বাচনি মাঠের অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিরব থাকতে দেখা যাচ্ছে।
কারন হিসেবে জানা যায়, মামলা,হামলা ও গ্রেফতার হবার ভয়। রাতে ঘরে ঘুমাতে পারছে না, পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
চাঁদপুর সদর আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নির্বাচনি প্রচারে বাধা দিতে একাধিক স্থানে প্রতিপক্ষরা হামলা চালিয়েছে।উল্টো বিএনপি নেকা কর্মিদের নামে মামলা দিচ্ছে পুলিশ।পুরাণবাজারের হামলা ও সংঘর্ষ ও পুলিশ আহত হবার ঘটনায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে বিএনপির প্রায় দেড়’শ জনের নামে মামলা করা হয়।
ফরিদগঞ্জে এমএ হান্নানের নির্বাচনি শো ডাউন হামলা করে পন্ড করা হয়েছে।পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় শত শত নেতা কর্মির নামে মামলা হয়।
কচুয়ার ধানের শীষের প্রার্থী মোশারফ হোসেনের নির্বাচনি প্রচারনায়ও হামলা গাড়ি ভাংচুর হয়েছে। মতলবে বিএনপির প্রার্থী জালাল উদ্দিনকে নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন। নির্বাচনি প্রচারনা চালাতে গেলেই হামলার শিকার হচ্ছেন দলের নেতা কর্মি ও তার সমর্থকরা।
হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিঃ মমিনুল হক নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রম বন্ধ করে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।সেখানেও পুলিশের গ্রেফতার আতংক রয়েছে।
ধানের শীষের প্রার্থীদের অভিযোগ নির্বাচনকে সামনে রেখে অসংখ্য নেতাকর্মিদের পুলিশ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করেছে। অন্যদেরও ধরার জন্য পুলিশ তৎপর। এ কারনে নেতা কর্মিদের মাঝে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে।সরকার একতরফা নির্বাচনের পথে হাঁটছেন।বিএনপির অাশা জনগন ভোট দিতে পারলে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন নিরব ভোট বিপ্লব হবে।
রিপোর্টঃ মিজান
শিরোনাম:
বৃহস্পতিবার , ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
