শাহরিয়ার খান কৌশিক,
চাঁদপুর সদর হাসপাতালে সিকিউরিটি গার্ড রুম দত্ত বাবুর ওষুধের গোডাউন চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে সিকিউরিটি গার্ড রুম এখন রাম কৃষ্ণ দত্তবাবু ওষুধের গোডাউনে পরিণত করেছে। সিকিউরিটি গার্ড রুম দখল মুক্ত করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ন্যায্যমূল্য দোকানের ঠিকাদার দত্তবাবু হাসপাতালে সিকিউরিটি কক্ষটি দখল করে নেয়। পেশী শক্তি ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চাপ প্রয়োগ করে এই সিকিউরিটি রুমটি দখল করার অভিযোগ উঠেছে। এরপূর্বে বেশ কয়েকবার সিকিউরিটি কক্ষটি খালি করে দেওয়ার জন্য বললেও সে এখনো তা না করে নিজের দখলে রেখেছে। এছাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ নিয়ে ওষুধের গোডাউনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। সরকারি হাসপাতালে ৯ জন সিকিউরিটি গার্ড রয়েছে। সিকিউরিটি গার্ড রুম থাকা সত্ত্বেও তারা ব্যবহার না করতে পারায় রাতের বেলায় তারা বাইরে অবস্থান করতে দেখা যায়। চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের রিটার্ড হওয়া অফিস কাম হিসাবরক্ষক শফিউল আলমের সহযোগিতায় এই সিকিউরিটি গার্ডের রুমটি রাম কৃষ্ণ দত্তবাবু দখল করে নেয় বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। রিটার্ড হওয়া অফিস কাম হিসাবরক্ষক শফিউল আলম জানায়, অযথা এই বিষয়টি নিয়ে মানুষ বাড়াবাড়ি করছে। সিকিউরিটি রুম খালি থাকায় দত্তবাবু ঔষধ রাখছে তাতে সমস্যা কোথায়। যেহেতু খালি রয়েছে সেহেতু ওষুধ রাখতে পারে কোন অসুবিধা নেই।
চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ হাবিব উল করিম জানায় হাসপাতালে সিকিউরিটি গার্ড আরেকজনের দখলে থাকার কোনো সুযোগ নেই। আমি আসার পূর্বে এটি হয়েছে। বিষয়টি জেনে তাদেরকে সিকিউরিটি গার্ডের রুমটি খালি করে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আমরা অচিরেই এই সিকিউরিটি গার্ডের পক্ষটি দখলমুক্ত করবো।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাম কৃষ্ণ দত্ত বাবু দোকানে গিয়ে থাকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
