
কচুয়া (চাঁদপুর) সংবাদদাতা: কচুয়ায় উপজেলা ৮নং কাদলা ইউনিয়নের মুরাদপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার সকালে উপজেলা মুরাদপুর পাটওয়ারী বাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনা উভয় পক্ষে কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাদলা ইউনিয়ন মুরাদপুর পাটওয়ারী বাড়ী অধিবাসী আদম আলীর ছেলে কবির হোসেন পাটওয়ারী, স্বপন পাটওয়ারী সাথে তাঁর বড় ভাই মো.সোলাইমানের সঙ্গে পানির মটর মেশিনের ভাগবন্টন নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হলে একপর্যায় মারামারি সংঘর্ষের রূপ নেয়।
আহতরা হচ্ছেন, কবির হোসেন পাটওয়ারী(৪৫), স্বপন পাটওয়ারীর ছেলে মুজাহিদ হোসেন(১৯),মেয়ে হাসিনা আক্তার (০৯), সুমাইয়া আক্তার (১০)সহ উভয় পক্ষের ১০জন আহত হয়।
আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কবির হোসেন পাটওয়ারীর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার তার অভিযোগে উল্লেখ্য করে বলেন, বিবাদী মো.সোলাইমান পাটওয়ারী আমার বাসুর, দেবর ও বাসরের ছেলে, গত বুধবার সকলে আমার স্বামী কবির হোসেনকে পূর্ব শুত্রুতার জের ধরে বাসুর সোলাইমান গংরা এলাকার কিছু ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে স্বামীকে মারধর শুরু করলে তার ডাক চিৎকার শুনে আমার বাসুর স্বপন,শাশুড়ী, বাসুরের ছেলে মেয়ে এগিয়ে আসলে তাদেরকে দেশী অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে আগাত ও মারধর করেন। আমি তাদেরকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া উদ্দেশ্য রওনা দিলে পথে মধ্যে আবারও স্বামী ও বাসুরের উপর হামলা করে এবং আমার শ্লীলতাহানি চেষ্টা করেন।
সোলাইমান পাটওয়ারী বলেন, কবির হোসেন পাটওয়ারীর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার যে অভিযোগ বলেছেন, এটা সম্পন্ন মিথ্যা, তারা আমাকে ও আমার স্ত্রী,ছেলে মেয়েকে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা করেন, হামলার ঘটনায় আমি বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি।
চাঁদপুরনিউজ/এমএমএ/
