মিজানুর রহমান রানা
অনলাইন সাংবাদিকতায় রয়েছে
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি
——— চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান খ. আলী আর রাজী
‘সাংবাদিকদের জন্যে অনলাইন সাংবাদিকতায় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমরা যা সংবাদপত্রে অথবা প্রিন্টেড কোনো কাগজে প্রকাশ করতে পারি না, সেই সব কথা আমরা নির্বিধায় অনলাইনে ব্লগ, নিউজ পোর্টালে প্রকাশ করতে পারছি। রাষ্ট্রীয় বা সামাজিকতায় নিষিদ্ধ এমন কোনো আচরণ বা মতপ্রকাশ ছাড়া আমরা মানুষের মনের বেদন নিয়ে তৈরি প্রতিবেদনগুলো অনলাইনে অনায়াসে প্রকাশ করতে পারছি। পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রে এখন যেমন অনলাইনে প্রচুর লেখালেখি বাড়ছে আগামী কয়েক বছরে তা বেড়ে দ্বিগুণ হবে। এটি ক্রমশ বাড়তে থাকবে বিস্ময়করভাবে। যা এখন অনেকেই অনুমান বা ধারণ করতে পারেন না। পৃথিবীর অনেক দেশেই কাগজে মুদ্রিত সংবাদপত্র বা ম্যাগাজিনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। কারণ মানুষ এখন লাইব্রেরি বা বুকস্টলে গিয়ে বই, পত্রিকা পাবার আগেই কম্পিউটারে বা মুঠোফোনে ইন্টারনেট সার্চ দিয়েই প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে নিতে পারে মুহূর্তেই। সুতরাং দ্রুত তথ্য পাবার প্রয়োজনে ভবিষ্যতে অনলাইন সাংবাদিকতাসহ অনলাইন নির্ভর মিডিয়াগুলোর কদর বাড়বে একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।’
চাঁদপুরে তিন দিনব্যাপী সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদানকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান খ. আলী আর রাজী এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, পৃথিবী এখন আমূল পরিবর্তনের পথে। এমন একটা সময় ছিলো যখন সাধারণ মানুষের কাছে ফোন বা টিভি ছিলো একটা বিস্ময়কর জিনিস। আর কয়েক দশককালের ব্যবধানে আজকালের গ্রামের মানুষের হাতে মুঠোফোন, কম্পিউটার, আইফোন, ট্যাব ইত্যাদি ব্যবহারের মাত্রা বাড়ছে। মানুষ আজ দ্রুত তথ্য পাবার চেষ্টা করছে। আর যারা এসব তথ্য দ্রুত যোগাতে পারছে পাঠক তার দিকেই বেশি নজর দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, চাঁদপুর প্রেসকাবে অনুষ্ঠিত ৩দিনব্যাপী সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি এ প্রশিক্ষণের প্রথম দিন (১৬ অক্টোবর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে, ২য় দিন (১৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান খ. আলী আর রাজী এবং ৩য় তিন (১৮ অক্টোবর) পিআইবির মহাপরিচালক মো. শাহ আলমগীর, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। চাঁদপুরের স্থানীয়, জাতীয় দৈনিক ও ইলকট্রনিক মিডিয়ার প্রায় ৩১জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।
