
কচুয়া প্রতিনিধিঃ
কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের ৭১নং বাসাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-নির্মিত ত্রিতল ভবনের উদ্বোধন হওয়ার পুর্বেই ক্রুটিপূর্ন কাজ ধসের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সরজমিন গেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশিকুর রহমান ও দাতা সদস্য হুমায়ন কবির জানান, এখনও দু’মাস হয়নি নিচ তলার সিড়ি থেকে পুরো ত্রিতল ভবনের প্রতিটি ফ্লোরের ঢালাই ক্রুটিপূর্ন হওয়ায় ধসে পড়ছে। ঢালাইতে সিমেন্ট না দিয়ে শুধুমাত্র বালু কংক্রিটের উপর নাম মাত্র আস্তর দেয়া হয়েছে। যা আস্তর খসে ভেতরে ধুলোর মত বালু আর কংক্রিট ভেসে উঠছে। আর প্রতিটি তলা কক্ষ ওয়ালের আস্তর এবং ছাঁদে কিছু দিয়ে খসা দিলেই ধুলোর মত ধসে উঠে। হয়তো আগামী ৫/৬ মাসের মধ্যে দেয়াল গুলোর আস্তর নিজে নিজেই ধসে পড়ার আশংকা রয়েছে। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে এ নতুন ভবনের ফ্লোরে বসে পাঠদান নিচ্ছে। ঠিকাদারের ঘড়িমষিতে সেনিটারি, গ্রীল ও ইলেক্ট্রিক কাজ হচ্ছে না। এ বিদ্যালয়টির উন্নয়নে কচুয়া প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে ৯৭ লক্ষ ১ হাজার ৭‘শ ২ টাকা অর্থায়নে জামাল ট্রেডার্স নামে এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান টেন্ডার নিয়ে ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ইং তারিখে নব-নির্মিত কাজের উদ্বোধনের মধ্যে শুরু করে।
ক্রুটিপূর্ন কাজের বিষয়ে কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, আমি এখানে সম্প্রতি কর্মস্থলে যোগদান করার পর এ ক্রুটিপূর্ন কাজের কথা শুনে সরজমিন পরিদর্শন করেছি। আমার পরিদর্শন মতে, ছাদ এবং দেয়ালের আস্তর তেমন ক্রুটিপূর্ন না হলেও ফ্লোর গুলোর আস্তর নিম্নমানের হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন। তবে ছাদ ও দেয়ালের আস্তর পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা নির্বাহী প্রকৌশলী কর্মকর্তাকে অবগত করা হবে। এ ক্রুটিপূর্ন কাজে এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা হয়েছে।
