
কচুয়া (চাঁদপুর): হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে গ্রেফতার করায় তার সমর্থিত অনুসারীরা কচুয়া উপজেলার ৬নং উত্তর কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ভাংচুর ও দলীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের ব্যানার পোস্টার চেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
গত রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার দারচর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ী ভাংচুর করে ইউনিয়ন পরিষদে হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান। পরে কচুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ৩জনকে আটক করেন।
গতকাল সোমবার দুপুরে আটককৃত ৩জনসহ ১২ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নং ১৬।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মামুনুল হকের অনুসারীরা লাঠিসোটা হাতে মিছিল নিয়ে ওই দারচর থেকে শুরু হয়ে তেতৈয়া, খিড্ডা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের বাড়ীঘর হামলা চালিয়ে তেতৈয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভাংচুর করেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের সামনে দলীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক এর ব্যানার চেড়ে ফেলান । হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী যুবলীগ নেতা জাফর ইসলাম মিলন মৎসলীগের নেতা আরিফ তালুকদার জানান, গত রবিবার সন্ধ্যায় উজানী,দারচর,দলি কচুয়া হেফাজত ইসলামের নেতা মামুনুল হকের অনুসারীরা প্রায় ২শতাধিক যুবক লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের বাড়ীতে হামলা চালায় এবং পরিবারে লোকজনদেরকে বিভিন্ন হুমকি ধমকি দিয়ে যায়। পরে তারা ইউনিয়ন পরিষদে হামলা ও ভাংচুর করেন।
কচুয়া থানার ওসি মহিউদ্দিন জানান, হামলার বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনি। হামলার ঘটনায় ১২জনকে আসামী করে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জনকে আটক করা হয়। বাকিগুলোকে আটক করতে পুলিশের প্রচেষ্টা চলছে।
চাঁদপুরনিউজ/এমএমএ/
