চাঁদপুর, লক্ষীপুর ও নোয়াখালী এই তিন জেলার লাখ লাখ মানুষের চলাচলের স্বার্থে গনমানুষের প্রানের দাবি হিসেবে চাঁদপুর সেতুর টোল আদায় বন্ধ ঘোষনা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । গনমানুষের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ থেকে ্ এই ঘোষনা শুনার অপেক্ষায় আশা করে দীর্ঘ প্রতিক্ষার প্রহর গুনছে ভুক্তভোগী জনতা।
্ভুক্তভোগীরা জানিয়েছে ,ডাকাতিয়া নদীর উপর প্রায় একই মাপের তিনটি সেতু রয়েছে। বিএনপি সরকারের আমলে সেই সেতুতে টোল আদায় চালু করলেও আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর চাঁদপুরের পুরান বাজার সেতু ও হাজিগঞ্জ সেতুর টোল আদায় বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো তিন জেলা মানুষের চলাচলের স্বার্থে চাঁদপুর থেকে ফরিদগঞ্জ লক্ষীপুর ও নোয়াখালীর বিশাল জনগোষ্ঠীর চলাচলের স্বার্থে শুধুমাত্র চাঁদপুর সেতুর টোল আদায় করেই যাচ্ছে। এই টোলের নামে নীরব চাঁদাবজি বন্ধের দাবিতে চাঁদপুর ৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের এমপি জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ডঃ শামছুল হক ভুইয়া প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে বক্তব্য রেখেছিলেন। শুধু তাই এর আগে বিএনপির দলীয় ফরিদগঞ্জের সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদও জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে চাঁদপুর সেতুর সেই টোল বন্ধের দাবি জানিয়ে বক্তব্য রেখেছন। কিন্তু সে সময় বিএনপি ক্ষমতায় না থাকার কারনে উক্ত টোল বন্ধ করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
এ টোল বন্ধের দাবিতে ইতিপূর্বে ফরিদগঞ্জ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নের্তৃবৃন্দ ছাড়াও ভুক্তভোগী জনতা চাঁদপুর সেতুর উপর মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন শেষে সেই সময়ের সাবেক জেলা প্রশাসক ইসমাইল হোসেনের কাছে স্বারক লিপি দেয়া ছাড়াও ফরিদগঞ্জের বাসমালিক সমিতির পক্ষ থেকে সাবেক মেয়র মনজিল হোসেনের ভাই আবদুর রাজ্জাক রাজা সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী চাঁদপুর ৩ আসনের সাংসদ ডাঃ দীপু মনির হাতেও আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বারকলিপি দিয়েছেল । শুধু তাই নয় ওই টোল বন্ধের দাবিতে গনস্বাক্ষর দিয়েছে ভুক্তভোগী হাজার হাজার জনতা।
শিরোনাম:
বৃহস্পতিবার , ২২ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৭ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
