গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারক রেজাউল হক ও খসরু জামানের দ্বৈত ব্যাঞ্চ এ জামিন প্রদান করেন। উল্লেখ্য, হাইকোর্ট থেকে আগাম ৪ সপ্তাহের জামিন নেয়া অবস্থায় নিম্ন আদালতে গত ১৮ আগস্ট (জি.আর ১৪৮/১৫ মামলা) আত্মসমর্পন করে পুনরায় জামিন আবেদন করলে নি¤œাদালতের বিজ্ঞ বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে জেলা হাজতে প্রেরণ করেন। জেলা হাজতে যাওয়ার ২ দিন পর শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক কারা অভ্যন্তরে মেরুদণ্ডে ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। পরে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। দীর্ঘ ২৭ দিন কারাভোগের পর গতকাল তিনি জামিনে মুক্তি পান। এ সময় চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় উচ্চ আদালতে জামিনের নথি চাঁদপুরে আসলে সেই নথি কারাকর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হয়। কারা কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল থেকে তাকে জামিনে মুক্তি দেন। গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ভীড় জমায়। এ সময় শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সকল নেতা-কর্মীকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ছেড়ে দিতে অনুরোধ জানান। তখন সকল নেতা-কর্মীরা শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে ভালোবেসে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ছেড়ে মনিরা ভবনে অপেক্ষা করতে থাকেন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে নেতা-কর্মীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে জেলার ও বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে শহরের জে.এম সেনগুপ্ত রোডস্থ মনিরা ভবনে ভীড় জমায়। বিকেল ৩টায় শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক মুক্তি পেয়ে তার নিজ বাসায় ফিরে আসলে নেতা-কর্মীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। এ সময় সাবেক সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হুদা, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদ, জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আনোয়ার বাবলু, দেওয়ান মোঃ সফিকুজ্জামান, মনির চৌধুরী, শুক্কুর পাটওয়ারী, আক্তার হোসেন মাঝি, খলিলুর রহমান গাজী, অ্যাডঃ হারুনুর রশিদ, জেলা যুবদলের সভাপতি শাহজাহাল মিশন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডঃ জাহাঙ্গীর খান, সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফয়সাল গাজী বাহারসহ জেলা বিএনপি, সদর উপজেলা বিএনপি, শহর বিএনপি, জেলা যুবদল, জেলা ছাত্রদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, শহর যুবদল, জেলা শ্রমিক দল, জেলা কৃষক দল, জাসাস, জিয়া মঞ্চসহ সকল উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
চাঁদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়কের জামিন দীর্ঘ ২৭ দিন পর হাইকোর্ট থেকে
গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারক রেজাউল হক ও খসরু জামানের দ্বৈত ব্যাঞ্চ এ জামিন প্রদান করেন। উল্লেখ্য, হাইকোর্ট থেকে আগাম ৪ সপ্তাহের জামিন নেয়া অবস্থায় নিম্ন আদালতে গত ১৮ আগস্ট (জি.আর ১৪৮/১৫ মামলা) আত্মসমর্পন করে পুনরায় জামিন আবেদন করলে নি¤œাদালতের বিজ্ঞ বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে জেলা হাজতে প্রেরণ করেন। জেলা হাজতে যাওয়ার ২ দিন পর শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক কারা অভ্যন্তরে মেরুদণ্ডে ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। পরে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। দীর্ঘ ২৭ দিন কারাভোগের পর গতকাল তিনি জামিনে মুক্তি পান। এ সময় চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় উচ্চ আদালতে জামিনের নথি চাঁদপুরে আসলে সেই নথি কারাকর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হয়। কারা কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল থেকে তাকে জামিনে মুক্তি দেন। গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ভীড় জমায়। এ সময় শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সকল নেতা-কর্মীকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ছেড়ে দিতে অনুরোধ জানান। তখন সকল নেতা-কর্মীরা শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে ভালোবেসে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ছেড়ে মনিরা ভবনে অপেক্ষা করতে থাকেন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে নেতা-কর্মীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে জেলার ও বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে শহরের জে.এম সেনগুপ্ত রোডস্থ মনিরা ভবনে ভীড় জমায়। বিকেল ৩টায় শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক মুক্তি পেয়ে তার নিজ বাসায় ফিরে আসলে নেতা-কর্মীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। এ সময় সাবেক সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হুদা, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদ, জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আনোয়ার বাবলু, দেওয়ান মোঃ সফিকুজ্জামান, মনির চৌধুরী, শুক্কুর পাটওয়ারী, আক্তার হোসেন মাঝি, খলিলুর রহমান গাজী, অ্যাডঃ হারুনুর রশিদ, জেলা যুবদলের সভাপতি শাহজাহাল মিশন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডঃ জাহাঙ্গীর খান, সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফয়সাল গাজী বাহারসহ জেলা বিএনপি, সদর উপজেলা বিএনপি, শহর বিএনপি, জেলা যুবদল, জেলা ছাত্রদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, শহর যুবদল, জেলা শ্রমিক দল, জেলা কৃষক দল, জাসাস, জিয়া মঞ্চসহ সকল উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

