এম এ আকিব ॥
চাঁদপুর শহরে অধিক হারে যানবাহন বৃদ্ধি পাওয়ায় সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিনিয়ত ব্যাপক যানজট। নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে যানজট নিরশন ব্যাবস্থা। এর ফলে স্কুল-কলেজের শিার্থী, অফিসগামী ও লঞ্চের যাত্রীরা সঠিক সময়ে পৌছাতে পারছেনা তাদের গন্তব্যে। আর তাই প্রদিনই ব্যস্ততম সময়ে এমন পরিস্থিতিতে পড়ে জনজীবনে নেমে আসে স্থবিরতা।
শহরের ১০টি স্পটে মোট ২৫জন ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিরশনে কাজ করেও এটি কেন নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেনা, এমন প্রশ্নের জবাবে চাঁদপুর ট্রাফিক পুলিশের টিআই আব্দুর রহমান খান কয়েকটি কারন উল্যেখ করে বলেন, প্রথমত যেটি আমার মনে হয় তা হলো চাঁদপুর শহরের রাস্তাগুলি অন্যন্য শহরের তুলনায় তেমন প্রশস্ত নয়। শহরের দু’একটি রাস্তা ছাড়া অধিকাংশ রাস্তাই প্রয়োজনের তুলনায় অনেক শরু। দ্বিতীয়ত এ শহরে রিকসা, ব্যাঠারী চালিত অটো রিকসা ও সিএনজি ব্যাপক হারে চলাচল করে। তৃতীয়ত আরেকটি কারন হচ্ছে চাঁদপুর লঞ্চঘাটের যাত্রীরা বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় শহরের উপর দিয়েই যাতায়াত করতে হয় বিধায় জেলার অন্যন্য উপজেলা এবং আশপাশের কয়েকটি জেলার যানবাহনগুলিও ব্যাস্ততমসময়ে শহরে প্রবেশ করে থাকে। এ ছাড়াও প্রয়োজনীয় প্রশস্ত ফুটপাত না থাকা, যেখানে সেখানে পার্কিং করাও যানজটের অন্যতম কারন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন শহরে প্রতি মাসে যে হারে যানবাহন বৃদ্ধি পাচ্ছে এটি নিয়ন্ত্রন ও রাস্তা ঘাট প্রশস্ত করন এবং লঞ্চঘাটে যাতায়াতের জন্য বাইপাস সড়ক নির্মান করা সম্ভব নাহলে আগামী কয়েক বছর পর এ শহরে যানজটই হয়ে উঠবে শহরবাসির প্রধান সমস্যা। আর এ ব্যাপারে এখনই একটি কার্যকরী পদপে গ্রহন করা জরুরী। তা’নাহলে ভবিস্যতে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। আর তাই এ সমস্যাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে একটি সু-নির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহন করা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় যানজটের কারনে আমাদের আগামী প্রজম্মের জনজীবন হয়ে পড়বে স্থবির।

