
রফিকুল ইসলাম বাবু,- গত শনিবার রাতে চাঁদপুর শহরের রহমতপুর আবাসিক কলোনী এলাকায় সংগঠিত কোহিনুর হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বেগমকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার ভোরে চাঁদপুর শহর লাগোয়া তরপুরচন্ডি ইউনিয়নের তেঁতুলতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেখানে সে তার মামা ধনু মিজির বাড়িতে ঘুমিয়েছিল। পুলিশ মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মোট দু’জনকে গ্রেফতার করা হল। সোমবার দুপুরে নয়নের অন্যতম সহযোগি ধেন্ধা রফিককে চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার বেগম গণমাধ্যকে জানান, টাকা পয়সা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জের ধরেই কোহিনুর বেগমকে হত্যা করা হয়। তিনি জানান, নয়ন সুদের ব্যবসা করতো। সে কোহিনুরের কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা নেয়। গত কয়েকমাস ধরে সুদের টাকা দিতে পারছিল না। এ নিয়েই বিরোধের জের ধরে কোহিনুরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে নয়ন ও তার সহযোগিরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ খাটের নিচে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তবে কত টাকা নেয়া হয়েছিল সে বিষয়ে পুলিশ সুপার কিছু জানাতে পারেননি। উল্লেখ করা দরকার যে, গত শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ন’টার দিকে নয়ন বেগম শহরের রহমতপুর আবাসিক কলোনী এলাকায় বাসা থেকে ফোন করে কোহিনুরকে ডেকে নিয়ে নিজের বাসাতেই হত্যা করে লাশ রেখে পালিয়ে যায়। কোহিনুর তিন ছেলের মা। তার স্বামী ও বড় ছেলে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। অপরদিকে নয়ন দুই মেয়ের মা। তারা পাশাপাশি বাসায় বসবাস করতো। হত্যাকান্ডের পর কোহিনুরের পরনে থাকা সোনার অলংকারও লুট করে নেয়া হয়। পুলিশ সেসব অলংকারের ব্যাপারে কোন তথ্য দিতে পারেনি।
শিরোনাম:
বৃহস্পতিবার , ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চাঁদপুর নিউজ সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
