
শরীফুল ইসলাম
মানব সভ্যতার প্রাচীন যোগাযোগের বাহন ছিল চিঠি। আর বিজ্ঞানের সাথে পাল্লা দিয়ে চিঠির কদর কমেছে পুরোদমে। তার পওভাব পড়েছে চঁদপুরেও। উন্নত প্রযুক্তির উৎকর্ষে হারিয়ে যাচ্ছে চিঠির সোনালিদিন। চাঁদপুওে এমন একটা সময় ছিল যখন যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল চিঠি। চাঁদপুর থেকে যখন কোন চিঠি বা পন্যসামগ্রী অন্য যায়গায় পাঠানো হতো, বা আসতো তখন ঐ প্রয়োজনিয় চিঠির জন্য অপোয় প্রতিদিন প্রহর গুনতো মানুষরা। কয়েক বছর আগেও এভাবে চাঁদপুরের সর্বত্র ডাকপিয়নের পরিচিতি মুখগুলো দেখা যেত। এলাকার পাড়া মহল্লায় ছিল তাদের নিত্যদিন বিচরন। মানুষের ব্যক্তিগত চিঠি বা অফিসিয়াল চিঠির নানা জিনিস সঠিক স্থানে পৌছে দিতে তাদের একমাত্র ভরসা ছিল ডাকপিয়ন। চাঁদপুরে আগে মানুষের প্রয়োজনিয় চিঠি ছাড়তে পোষ্ঠ অফিসে সকাল হলেই ছুটে আসত। এবং দূর্ঘন লাইনে দাড়িয়ে অপো করতে হতো চিঠি ছাড়ার জন্য। চাঁদপুরে চিঠি এমনেই জনপ্রিয় ছিল যে, পরবর্তীতে মানুষের কথা চিন্তা করে শহরের বিভিন্ন স্থানে লাল রঙের চিঠির বাক্স স্থাপন করা হয়। এখনও বাক্সগুলো দেখা যায় কিন্তু সেগুলো আর আগেরমত চিঠি ভর্তি অবস্থায় নয়। চাঁদপুর পোষ্ঠ অফিসে গিয়ে ল করা গেল, এখন আর আগেরমত ভিড় নেই, অপো করতে হয়না লাইনে দাড়িয়ে দীর্গন। চাঁদপুর জেলার পোষ্ঠ মাষ্টার মো. শাহাজাহান জানান, চাঁদপরে আজ থেকে ৫-৬ বছর আগেও চিঠির কদর ছিল অনেক। আগে মানুষের ব্যাক্তগত চিঠির জন্য অপোয় থাকত, কিন্তু এখন আর সেই অপো করতে দেখা যায় না। তবে ব্যাক্তগত চিঠির কদও কমলেও অফিসিয়াল চিঠির কদও বেড়েছে। তিনি আরো বলেন, উন্নত প্রযুক্তির বিজ্ঞানের ফলে এক সময় হয়তো এর কদর পুরাপুরী কমে যাবে। বর্তমানে মানুষের কাছে অনেক কিছুই হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। ঘরে ঘরে এসেছে মোকাইল ফোন, কম্পিউটার । এখন ঘরে বসেই যে কোন কাগজপত্র দেশ থেকে দেশের বাইরে পাঠানো যায় খুব সহজে। চিঠি নয় এখন কথাহয় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। মানুষের লেখা চিঠির কদর আর হয়তো ফিরে আসবেনা চাঁদপুরে।
শিরোনাম:
সোমবার , ২৫ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
