
স্টাফ রিপোর্টার: ॥ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ ও শাহরাস্তি উপজেলায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের পাশাপাশি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪০ বিদ্রোহী প্রার্থী। এর মধ্যে হাজীগঞ্জ উপজেলায় ৭, ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ১৫, মতলব দক্ষিণে ৭ ও শাহরাস্তি উপজেলায় ১১জন।
তৃতীয় দফায় ফরিদগঞ্জ ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২৫ ইউনিয়নে নির্বাচন আগামী ২৩ এপ্রিল। বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিস্কার না করায় বেকায়দায় রয়েছেন নৌকার প্রার্থীরা। মতলব দক্ষিণ ও শাহরাস্তি উপজেলায় ১০ ইউনিয়নে নির্বাচন আগামী ৭ মে। ১০ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে ১৮জন। এই দুই উপজেলায়ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রচারনা তুঙ্গে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারী জানান, ১৫ ইউনিয়নে আমরা তৃনমূলের নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী দিয়েছি। তারপরও যারা স্বতন্ত্রপ্রার্থী হয়েছেন, তাদেরকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য মৌখিক বলা হয়েছে।
হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন মিয়াজী জানান, ১১ ইউনিয়নের মধ্যে ৭জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। দলের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শনা পেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জে এইচ এম কবির আহম্মেদ বিদ্রোহী প্রার্থী প্রসঙ্গে বলেন, ১৮ এপ্রিল মতলব দক্ষিন উপজেলায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। আমাদের সংগঠনের যারা স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, তারা মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে ১৯ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংগঠনের আলোকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিন্টু জানান, দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে অনেকেই চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং গনসংযোগও করছেন। তাদের সাথে আলাপ আলোচনা করা হচ্ছে তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য। তারপরও তারা প্রত্যাহার না করলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল বলেন, হাজীগঞ্জ ও ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নেতৃবৃন্দকে আজকের মধ্যেই নির্দেশ দেয়া হবে এবং মতলব ও শাহরাস্তি উপজেলায় ১৯ এপ্রিলের পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
