রফিকুল ইসলাম বাবু,
চাঁদপুর সদর উপজলার আশিকাটি ইউনিয়নের রালদিয়া গ্রামের গাজী বাড়িতে সম্পত্তি কেনায় চাঁদা দাবী করে না দেওয়ায় বসতঘর ভাংচুর, শিশু নির্যাতন মামলা ও ওই অসহায় পরিবারর একজনকে গুম করা রাখা হয়েছে বলে অভিযাগ উঠছে এক প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। ওই প্রভাবশালী মহলের মিথ্যা মামলায় একটি অসহায় পরিবারর বসতঘর ভাংচুর করে ওই পরিবারর বড় সন্তান ৩ মাস ধরে গুম করে রাখা হয়েছে বলে ভুক্তভাগীরা জানিয়েছেন।রালদিয়া গ্রামের ছামাদ গাজী বাড়ির পাশে সিরাজ খানের কাছ থেকে ২৭ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করে। ওই সম্পত্তি ক্রয় করায় পার্শ্ববর্তী অজিফ খানের ছেলে জসিম খান, সেলিম খানের ছেলে সুমন খান, বিল্লাল খানের ছেলে রিয়াজ খান, মনির ভূইয়ার ছেলে আল-আমিন ভূইয়া ও সোহেল ভূইয়া সহ অজ্ঞাত ব্যক্তিরা বয়ঃবদ্ধ ছামদ গাজীর কাছ ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় ৩ মাস পূর্ব উল্লেখিত ব্যক্তিরা ছামাদ গাজীর বড় ছেলে মাখলছ গাজীর বসত ঘর ভাংচুর করে। ওই ভাংচুরর ঘটনার পর থেকে মেখলেছ গাজী নিখোঁজ রয়েছে। এরা হামলা চালিয়ে বসত-বাড়ি ভাংচুর করার পর বিল্লাল খান তার স্ত্রীকে দিয়ে মোখলেছ গাজীর বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় ১৯ জুন তাদের শিশু কন্যা সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টিকে নির্যাতন করার একটি মিথ্যা অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করে। স্থানীয়রা জানায়, বিল্লাল খান ও তার পরিবার ইতিপূর্বে ছামদ গাজী পরিবাবের কাছ থেকে টাকা পয়সা ধার নিত। বেশ কয়েকবার টাকা ধার নয়ে ওই টাকা পরিশোধ করেনি। টাকা না দেওয়ায় ছামাদ গাজীর বাড়িত এসে তারা ঘর ভাংচুর কর লুটপাট চালিয়েছিল। এই পরিবারটি অসহায় হওয়ায় উল্টো তাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। তারা চাঁদপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ছাদকুর রহমানকে দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে নিরীহ পরিবারটিকে হয়রানির মধ্যে রেখেছে। নিখোঁজ মোখলেছ গাজীর বৃদ্ধ পিতা ছামদ গাজী ও মাতা একতি বেগম সাংবাদিকদের জানান, তারা আমার ছেলেকে বসত-ঘর ভাঙার পর থেকে গুম করে রেখেছে। আমরা শত চেষ্টা করেও ছেলে কোন সন্ধান পায়নি। বরং আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশ হয়রানি করছে। তারা আরও জানায়, প্রতিনিয়তই এসআই সাদেকুর রহমান আমাদেরকে হুমকি ধমকী দিয়ে যাচ্ছে। এই ৩ মাস এসআই সাদকুর রহমান আমাদর কাছ থেকে মামলার ভয় দেখিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। আমরা ভুক্তভোগী ও হামলার শিকার হয়ে বিচারের জন্য এলাকার মানুষের কাছে ঘুরে কোন বিচার পায়নি। যারা আমাদের বসতঘর ভাংচুর করেছে ও আমার ছেলেকে গুম করে রেখেছে পুলিশ তাদেরকে না ধরে আমাদের পরিবারের উপর জুলুম অত্যাচার করছে। আমরা এই অত্যাচার থেকে মুক্তি ও আমার বড় ছেলে মোখলেছকে ফিরে পেতে চাই।
