ডিজিটাল নাম্বার পেটের জন্য সিএনজি মালিক ও ড্রাইভারদেরকে দীর্ঘ লাইন ধরে অপোয় থেকে নিতে হচ্ছে নতুন ডিজিটাল নাম্বার পেট। আর এ অপোর অজুহাতে তারা রীতিমত বিআরটিএ কর্মকর্তাদে বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরছেন সাংবাদিকদের কাছে। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে অনুসন্ধান চালিয়ে এর কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডিজিটাল নাম্বার পেটের জন্য সিএনজি মালিক ও ড্রাইভাররা দীর্ঘ লাইন ধরে অপোয় রয়েছেন। সাংবাদিক পরিচয় পাওয়া মাত্রই তাদের প থেকে অনেকেই এগিয়ে এসে বললেন, ভাই সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত লাইনে দাড়িয়ে আছি। এখন পর্যন্ত আমরা নাম্বার পেট পাইনি। এখানকার কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে অনেককেই দ্রুত নাম্বার পেট দিয়েছে। যারা টাকা দিচ্ছে না তাদেরকে লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। কতটাকা নিচ্ছে প্রশ্ন করা হলে তারা বলেন, প্রতিজনের কাছথেকে ২৫০টাকা করে নেয়া হচ্ছে।
সিএনজি চালকদের এমন অভিযোগের ব্যাপারে চাঁদপুরের বিআরটিএ অফিসের মোটরযান পরিদর্শক মাহবুব কামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নাম্বার পেট বিতরণের বিষয়টি যোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে টাইগার আইটি নামক একটি কম্পানিকে দায়ীত্ব দেওয়া হয়েছে। কোন অনিয়ম বা হয়রানির বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এ বিষয়ে সকল কিছুই দেখেন কম্পানির দায়ীত্বে থাকা এরিয়া ম্যানেজার আপনি প্রয়োজনে তার সাথে কথা বলতে পারেন। তিনিই আপনাকে এর সঠিক জবাব দিতে পারবেন।
পরে টাইগার আইটি কম্পানির এরিয়া ম্যানেজার বেলাল উদ্দিনের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, এ কাজটি একটি সচ্ছ ও চলমান প্রক্রিয়া যাতে কোন প্রকার দুর্ণীতি করার সুযোগ নেই। আমাদের এই কম্পানির কুমিলা রিজিওনাল অফিস থেকে চাঁদপুর, লপিুর, নোয়াখালি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিলাসহ মোট ৫টি জেলায় নতুন ডিজিটাল নাম্বার পেট বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রতিমাসের প্রথম বুধ ও বৃহস্পতিবারে চাঁদপুরে আমরা কাজ করি। গত ডিসেম্বর মাস থেকে আমাদের কাছে এ পর্যন্ত ৪হাজারের মত নাম্বার পেট এসেছে। প্রতি মাসে ২দিন করে এ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ২শ করে সর্বমোট প্রায় ১৫শ নাম্বার পেট আমরা লাগিয়েছি। যার মধ্যে প্রায় ৩হাজার সিএনজি, ৭শ মোটর সাইকেল, পিকআপ ও অন্যান্য যানবাহন প্রায় ৩শ। এটি লাগানোর পরে ছবি তুলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইনে পাঠানোসহ আরো বেসকিছু কাজ করতে হয় বলে একটু সময় লাগে, আর এ সময় লাগার অজুহাতে সিএনজি ড্রাইভাররা এমন অভিযোগ করছে। এ ছাড়াও ২৫০টাকার বিষয়টি কোন দুর্ণীতি নয়। নাম্বার পেট লাগানোর জন্য একটি লোহার কাম লাগানো হয়। যা লাগানোর দায়ীত্বে রয়েছেন কুমিলার আরো একটি প্রতিষ্ঠান। তারা কাম ও ফিটিং চার্জ হিসেবে টাকাটা নিচ্ছে। আর এসব অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।
শিরোনাম:
শুক্রবার , ১ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

