
বাজারে বেশকিছু নিত্যপণ্যের দাম চড়া। দর বাড়ছে একের পর এক পণ্যের। এক সপ্তাহের ব্যবধানে চাল-আটা, ডাল, মুরগি, চিনি, সয়াবিন তেলের পর এবার আলুর দামও বেড়েছে। গত তিন-চার দিনে আলুর দাম বেড়েছে কেজিতে ৬ থেকে ১০ টাকা। এছাড়া বাড়া-কমার মধ্যে রয়েছে পিয়াজের দাম। এদিকে বেড়েছে ডিমের দাম। একইসঙ্গে শীতকালীন সবজি, মাছ, মাংসের বাজারেও স্বস্তি নেই। রাজধানীর কাওরান বাজার, হাতিরপুল বাজার, সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে টিসিবির হিসেবে সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, সয়াবিন তেল, রসুন, চিনি, আদা, দারুচিনি, আলু ও ডিমের দাম বেড়েছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে পিয়াজ আর মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।
মুরগির দাম কেজিতে ৫ টাকা কমলেও বাজার এখনো চড়া। আর বেশিরভাগ সবজির দর বাড়তি। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ীরা পিয়াজের কেজি বিক্রি করছেন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। কাওরান বাজারের ব্যবসায়ী মালেক বলেন, পূজার সময় ভারত থেকে পিয়াজ কম আসায় দাম বেড়ে গিয়েছিল। তবে দেশি ও আমদানি করা উভয় ধরনের পিয়াজ পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে।
অন্যদিকে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে কমেছে ৫ টাকা। এক মাস আগেও এর দাম ছিল ১২০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম কমলেও পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগি এবং লাল লেয়ার মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। আর লাল লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা।

কাওরান বাজারের একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, ৫ থেকে ৬ দিন ধরে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। বাজারে আগের চেয়ে কম পরিমাণে আলু দিচ্ছেন পাইকার ও কোল্ডস্টোরেজের মালিকরা। কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা তো কমেনি। এ কারণে দাম বাড়ছে আলুর।
কিছুটা বাড়তি দেখা গেছে মসলা জাতীয় অন্যান্য পণ্যের দামেও। বাজারে প্রতি কেজি দেশি আদা ১০০ থেকে ১১০, আমদানি করা আদা ১৪০ থেকে ১৪৫, দেশি রসুন ৬০ থেকে ৭০ এবং ভারতীয় রসুন ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি লাল চিনির দাম ৮০ টাকা। গেল মাসে এ চিনির দাম ছিল ৬৫ টাকা। আমদানি করা মোটা দানার ডালের প্রতি কেজির দাম ৯০ টাকা। গেল মাসেও এই ডালের দাম ছিল ৬০ টাকা
