
প্রতিনিধি
মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের নায়েরগাঁও গ্রামে সাহেব আলী প্রধানীয়া বাড়িতে ঘরের বারান্দা থেকে জ্যোতি বেগম (১৯) নামে এক নববধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল ১৮ আগস্ট সোমবার সকালে ওই বাড়ির তাদের নিজেদের বসতঘরের বারান্দার আড়ার সাথে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় জ্যোতির লাশ উদ্ধার করা হয়। তার এ মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত এক মাস পূর্বে একই উপজেলার নন্দীখোলা গ্রামের জিয়াউর রহমানের সাথে জ্যোতির বিয়ে হয়। গত ক’দিন পূর্বে সে তার স্বামীকে নিয়ে বাপের বাড়িতে আসে। ওই দিন সকালে স্বামীকে কর্মস্থল চট্টগ্রামে যাওয়ার জন্য জ্যোতি তাকে রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে পুনরায় ঘরে চলে আসে। এ সময় তাঁর বাবা আবদুল গনি মিয়া দুধ বিক্রি করার জন্য বাজারে চলে যায়। মাও এ সময় বাড়ি ছিলো না। আর তখনই তার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক এলাকাবাসী জানায়, প্রেমঘটিত ঘটনার কারণেই হয়তোবা মনের ক্ষোভে জ্যোতি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে অথবা শত্রুতা বশতঃ প্রেমিক বা অন্য কেউ তাকে মেরে গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে দিতে পারে। খালি ঘরে জ্যোতিকে বারান্দার আড়ার সাথে ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় তার বোনের ছেলে সিয়াম দেখতে পায়। তখন সে ডাক-চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে জ্যোতিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে মতলব দক্ষিণ থানায় খবর দিলে থানার এসআই মোর্শেদুল আলম ভূঁইয়া ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তে জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করেছে।
এসআই মোর্শেদুল আলম ভূঁইয়া জানান, জ্যোতিকে হত্যা করা হয়েছে না সে আত্মহত্যা করেছে ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলে তা জানা যাবে।
জ্যোতির পিতা আবদুল গনি মিয়া জানান, প্রথম রমজানের দিন মেয়েকে নন্দীখোলা গ্রামের জিয়াউর রহমানের সাথে বিয়ে দেই। ঘটনার দিন জামাতাকে আমার মেয়ে এগিয়ে দিয়ে আসে। কেনো এ ঘটনাটি ঘটল তা জানি না। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
