
প্রতিনিধি : চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় অর্ধ শতাধিক দোকানসহ ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে আ’লীগ নেতাকর্মীরা। শনিবার রাত থেকে আজ দুপুর ২টার মধ্যে তারা এ সহিংসতা চালায়। গতকাল শনিবার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ভোট দেয়নি এ অজুহাতে ভাঙচুর ও হামলা চালায় আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা। ভাঙচুরের পর বিজিবিসহ থানা পুলিশ সদস্যরা দিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করে আসে।বিএনপি সমর্থকদের ঐ দোকান ও বাড়িগুলো ভাঙচুর করে লোকজনদের মারধর করে। ক্ষমতাসীনদের হামলার ভয়ে ঐসব এলাকাগুলো এখন জনশূন্য। শুধু হামলা-ভাঙচুর করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি, থানায় মামলা করে আটকের হুমকিও দিচ্ছে তারা এখন। দোকানগুলো থেকে তারা মালামালও লুট করে নিয়ে যায়।রামপুর বাজারের ৫০/৬০টি দোকান, গন্ধর্বপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামে ৫টি বসতবাড়ি, বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডর গ্রামের ১০টি বসতঘর, বেলঘর বাজারে ৮/১০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর গ্রামে বিএনপি সমর্থক ৫টি বাড়িতে, রাত ১২টার দিকে মোল্লাডর গ্রামে ১০টি বাড়িতে ভাঙচুর ও লোকজনদের মারধর করে স্থানীয় আ’লীগ কর্মীরা। আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে বেলঘর বাজারে আ’লীগ-বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হলে সেখানে ৮/১০টি দোকান ভাঙচুর হয়। সকাল থেকেই রামপুর বাজারে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকরা হুমকি ও ভাঙচুর করে।এ ব্যাপারে কথা হয় রামপুর বাজারে ভাঙচুর করা ইলেক্ট্রনিক্স দোকান তাকওয়া ট্রেডার্সের মালিক আমিন ভূঁইয়ার সাথে। তিনি জানান, আজ সকাল থেকেই বাজারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে হুমকি-ধমকি দেয়া শুরু করে। দোকানপাট না খুললেও ৯টার পর থেকে তারা ভাঙচুর শুরু করে। দোকানীরা লুকিয়ে থাকলে তারা সেখান থেকে মালামালও লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া তারা তাদের সমর্থকদেরও কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করে বিএনপিসহ ১৯ দলীয় সমর্থকদের মামলা করে আটকের ভয় দেখাচ্ছে। হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম জানান, বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের খবর পেয়ে সেখানে বিজেবিসহ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
শিরোনাম:
সোমবার , ২৫ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
