মিজানুর রহমান রানা
প্রভাতে ঢাকাগামী চাঁদপুরের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সময়ে পহেলা এপ্রিল থেকে ঢাকা-চাঁদপুর নৌ রুটে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলো এমভি রিপল লঞ্চ। সৌখিনতায় অভ্যস্ত চাঁদপুরের যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের সুবিধাদি রয়েছে নব নির্মিত এমভি রিপল লঞ্চটিতে। দ কারিগর দ্বারা অত্যন্ত নিখুঁত শৈল্পিক কারুকার্যে গড়ে তোলা নয়নাভিরাম লঞ্চটি দেখে সকল যাত্রীদের চু শীতল হয়ে আসবে। এছাড়াও প্রশিণ প্রাপ্ত অভিজ্ঞ স্টাফদের সেবায় যে কোনো যাত্রীই হবেন মুগ্ধ।
শনিবার সকালে ঢাকা যাবার সময় যাত্রীদের মুখে লঞ্চটির প্রশংসা শুনে এ সম্পর্কে জানার জন্যে লঞ্চ মালিকের সঙ্গে কথা হয়। লঞ্চের মালিক প্রিন্স ওয়াটার ওয়েজের পে হাজী আবুল বাশার (বাসু হাজী) এ প্রতিবেদককে জানান, দীর্ঘদিন ঢাকা-চাঁদপুর রুটে যাত্রীদের মাঝে এমন একটি লঞ্চের প্রয়োজনীয়তা ল্য করা যায়। তারই প্রেেিত যাত্রী সাধারণের সেবার ল্েযই এমভি রিপল লঞ্চের আবির্ভাব। তিনি আরো জানান, ঢাকায় চাকুরি করেন এমন অনেক যাত্রী রয়েছেন, যারা নিয়মিত চাঁদপুর থেকে আসা-যাওয়া করে অফিস করেন। এছাড়াও ব্যবসায়ীরা ঢাকায় মোকাম করার উদ্দেশ্যে টাকা-পয়সা সঙ্গে নিয়ে অজানা উৎকণ্ঠায় রাতের লঞ্চগুলোয় ঢাকায় এসে ভোরবেলায় বিভিন্ন বিড়ম্বনার শিকার হন। এছাড়াও মোকাম সেরে সঠিক সময়ে চাঁদপুরে ফিরতে পারেন না। এমন সব বাস্তবতায় এসকল যাত্রী বিশেষ করে যে কোনো রোগীদের ঢাকায় নিরাপদে আসা-যাওয়ার সুবিধার্থে লঞ্চটির সকাল ৬টা থেকে ইচলী, ৬টা ৪৫ মিনিটে চাঁদপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঢাকা থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে।
তিনি আশা পোষণ করে বলেন, অসংখ্য যাত্রীদের সেবা প্রদানের জন্য আমাদের সাধ্যাতীত যে ব্যবস্থা করা হয়েছে তাতে যাত্রী সাধারণ উপকৃত হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। লঞ্চ মালিক সূত্রে সরজমিনে ঘুরে যাত্রীদের জ্ঞাতার্থে যে সকল সুবিধা রয়েছে তা হচ্ছে লঞ্চটির নিচতলায় সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। অসুস্থ রোগীদের জন্যে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় রয়েছে ডাবল বেডের মেডিকেল কেবিন, যার ভাড়া ১৫শ’ টাকা। এতে অক্সিজেন সহ অন্যান্য সকল সুবিধা রয়েছে। ২৪০ আসন বিশিষ্ট সুগন্ধা নামক প্রথম শ্রেণি, যার প্রতি চেয়ারের ভাড়া ১৫০ টাকা। লঞ্চের ২য় তলায় রয়েছে দুটি ভিআইপি কেবিন, ১২টি সিঙ্গেল ও ১২টি ডাবল কেবিন। রজনীগন্ধা নামক ৯৬ আসন বিশিষ্ট এসি বিজনেস কাস, যার প্রতিটি আসনের ভাড়া ২৫০ টাকা। লঞ্চটিতে সরকারিভাবে নির্ধারিত ৪৮০ জন যাত্রী ধারণ মতা রয়েছে। লঞ্চের ৩য় তলায় মুসল্লিদের জন্যে অজু ও নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। নীচতলায় রয়েছে নান্দনিক ক্যান্টিন। যাতে সকালের নাস্তা হিসেবে থাকছে ভুনা খিচুড়ি, কাচ্চি বিরিয়ানি, এর সাথে রয়েছে ডিম ও মুরগি। এছাড়াও ডিম, পাউরুটি, কেক ও ঠাণ্ডা পানীয় পানের সুবিধা রয়েছে। উল্লেখ্য, লঞ্চটির বাকি কিছু কাজ সমাধা হলে এটি প্রায় ২ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে চাঁদপুর থেকে ঢাকায় পৌঁছতে পারবে।
শিরোনাম:
রবিবার , ৩১ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

