প্রতিনিধি
জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের আওতায় চলমান এইচএসসি পরীক্ষার কম্পিউটার বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরুর পূর্বে কম্পিউটার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি কে বা কারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সামিউল মাসুদকে অবগত করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল মাসুদ তাৎক্ষণিক সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে ছুটে আসেন। তিনি কলেজে কিছু সময় অবস্থান করেই ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রশ্নপত্রটি উদ্ধার করেন। প্রশ্নপত্র উদ্ধার করে সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া লিটনকে ১০ হাজার টাকা, উপাধ্যক্ষ হুমায়ন কবিরকে ১০ হাজার টাকা, বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোঃ আতিকুল ইসলামকে ৮ হাজার টাকা ও আইটিসি বিভাগের প্রভাষক মোঃ আব্দুল মজিদকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ১২ ধারায় অভিযুক্ত সাব্যস্ত হওয়ায় অফিস সহকারী মোঃ সামছুল আলমকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও প্রভাষকদের এহেন কর্মকা-ে সূচীপাড়ায় তোলপাড় চলছে। সাধারণ মানুষ বলছে, যেখানে শিক্ষকরা এ ধরনের কর্মকা-ে জড়িত হয়ে পড়ছে সেখানে শিক্ষার মান ভালো থাকে কিভাবে। আমরা চাই, সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার মান যেনো আরো উজ্জ্বল হয়। শিক্ষকরা যেনো এ ধরনের ন্যাক্কারজনক কর্মকা-ে আর জড়িত না হয়।
