প্রতিনিধি শাহরাস্তি পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ডের নিজমেহার গ্রামের ঘোষপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন মা-ছেলেকে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে বেদম মারধর করছে। হামলার শিকার মা-ছেলে গুরুতর আহত হয়ে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েভর্তি আছে। এ ঘটনায় শাহরাস্তি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
থানায় অভিযোগ ও হামলার শিকার আহতদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নিজমেহার গ্রামের ঘোষপাড়ার খোকন চন্দ্র ঘোষ ও বেনু ঘোষদের মধ্যে পূর্ব শত্রুতা ও সম্পত্তিগত বিরোধ চলে আসছিলো। গত ৩ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ৯টার সময় খোকন চন্দ্র ঘোষের স্ত্রী পুষ্প রাণী ঘোষ (৫০) বাড়ির উঠানে কাপড় রোদে শুকাতে গেলে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা মৃত ভাষাণ ঘোষের পুত্র বেনু ঘোষ (৪০) ও কানু ঘোষের স্ত্রী অনিতা ঘোষ (৪০), বেনু ঘোষের স্ত্রী স্বরসতী ঘোষ (৩৮), চিনু ঘোষের স্ত্রী মুক্ত ঘোষ (৩২) ও কানু ঘোষের পুত্র প্রণয় ঘোষসহ অজ্ঞাতনামা ২/১ একজন অতর্কিতভাবে তাকে লাটি-সোটা দিয়ে বেদম মারধর করে। এ সময় পুষ্প রাণী ঘোষের ডাকচিৎকারে তার পুত্র দেবাশীষ চন্দ্র ঘোষ (২১) দৌড়ে এসে তাদের কবল থেকে তার মাকে উদ্ধার করতে গেলে প্রতিপক্ষ দুষ্কৃতকারীরা তাকেও বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আহত মা-ছেলেকে অচেতন অবস্থায় শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েএনে ভর্তি করানো হয়। এ বিষয়ে খোকন চন্দ্র ঘোষ বাদী হয়ে ৬ জনকে বিবাদী করে শাহরাস্তি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের বাদী ও অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ও সম্পত্তিগত বিরোধে প্রতিপক্ষদ্বয় বেশ কয়েকদিন ধরে আমার স্ত্রী পুষ্প রাণী ঘোষকে মারধরের জন্য চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। গত ৩ এপ্রিল মঙ্গলবার আমার স্ত্রীকে একা পেয়ে বেদম মারধর করে মুমুর্ষ অবস্থায় ফেলে যায়। আমার ছেলে উদ্ধার করতে এলে তার ওপরও ওরা হামলা চালিয়েছে। আমি এমন জঘন্য ঘটনার জন্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুবিচার প্রার্থনা করছি।
