রিফাত কান্তি সেন:-
সারাদেশে শারদীয় উৎসব আরম্ভ,মন্দিরে মন্দিরে দেবীর আরাধনা শুরু।
ষষ্ঠী পূজার মধ্যেদিয়ে শুরু হলো হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজা।
মন্ডপে, মন্ডপে চলছে দেবী ভক্তদের আরাধনা।
ধূপধুনা,আর বাজনায় মুখরিত পূজা মন্ডপগুলো।
দেবীর নিকট একাগ্রচিত্তে ভক্তরা করছেন ভক্তি নিবেদন।
প্রতিবছরের ন্যায় এবার ও বর্ষার, শেষে শরৎ আরম্ভের প্রাক লগ্নে দেবী এসেছেন মত্যে।
দুষ্টের দমন আর সৃষ্টের পালনে যুগে, যুগে মা আসছেন ধরনীতে।
এমনটা ই বিশ্বাস সনাতন ধর্মালম্ভীদের।
সারাদেশের প্রতিটি মন্দিরকেই সাজানো হয়েছে অপরুপ সাজে।
লাল,নীল, বেগুনী রঙ্গের মরিচবাতী গুলো জেনো জানান দেয় উৎসব শুরু হয়ে গেছে।
আইন -শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ও তাদের দায়িত্ব পালনে সদা ততপর।
এবার দেবী এসেছেন ঘটকে,যাবেন দোলায়।
স্বামীর ঘর কৈলাশ ছেড়ে ৫ দিনের সফরে,পিতৃগৃহ- মত্যে দেবী দূর্গা।
তার সাথে আছেন দুই পুত্র,গনেশ–কার্তিক।
রয়েছেন কন্যা স্বরস্বর্তী,লক্ষী।
রয়েছে তাদের বাহন রা।
রয়েছে কার্তিকের কলা বউ।
জানাযায়, মহিসাসুর যখন পৃথিবীতে অত্যাচারের ধ্বংশ নীলা শুরু করেন,এবং দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করেন, ঠিক তখন দেবতাদের যৌথ শক্তিবলে দেবী দূর্গার আবির্ভাব।
বধ করেন মহিসাসুর কে,শান্তি ফিরিয়ে আনেন স্বর্গ,মত্যে।
অশ্রুশিক্ত চোখে দেবীর নিকট সনাতন ধর্মালম্ভীদের চাওয়া, তিনি জেনো সকল অপশক্তিকে দূর করে পৃথিবীর মাঝে শান্তির বার্তা পৌছে দেন।
আজ মহা ষষ্ঠী,দেবীর অধিবাস,কাল মহাসপ্তমী।
ছবি: লক্ষী নারায়ন জিয়র আঁখরা,কড়ৈতলী শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম।
