সাখাওয়াত হোসেন (মিথুন),
হাজীগঞ্জ উপজেলার চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘিরে কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারনে দিন দিন দখল হচ্ছে চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহসড়কের দুপাশের সড়ক বিভাগের জায়গা। কয়েক বছর পর পর দখলীয় জায়গায় ব্যবসা কেন্দ্র উচ্ছেদ হওয়ার কারনে বেকার হয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার লোক। আর সড়ক বিভাগের জায়গা দখল করা নিয়ে প্রতিদিন কোথাও না কোথায় ঘটছে সংর্ঘষ্যের ঘটনা।
জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মধ্যে প্রধান সড়ক চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়ক। এই মহাসড়কের শাখা সড়কগুলি হচ্ছে হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ,কচুয়া-গৌরীপুর ও অন্যান্য সড়ক। এ সড়কগুলোর মধ্যে চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়ক মূল ভিত্তি হয় ৩০ কিংবা ২০ এর দশকে। এ সড়কটি সম্পূর্ণরূপে সড়ক বিভাগের। দেশে দ্রুত গতিতে জনসংখ্যা এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে সড়কটির ও ব্যাপক গুরুত্ব বেড়ে যায়। সময়ের বিবর্তনে সড়কটিরও পরিবর্তন হয়। আর ব্যবসা করার উদ্দেশ্য সড়ক কে ঘিরে রাস্তার দুপাশে গড়ে উঠে হাট-বাজার। সব বাজারের একই মাপের সম্পত্তি না থাকাতে লোকজন বেকারত্ব দূরী করনের লক্ষ্যে গড়ে তোলে সড়ক বিভাগের জায়গায় ব্যবসা বাণিজ্য। কিন্তু বেকারত্ব দূরীকরনের উদ্দেশ্য বিভিন্ন এন.জি.ও সংস্থা থেকে ক্ষুদ্র মুলধন নিয়ে অনেকেই এ সব জায়গায় জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্য এবং একটু সুখের আশায় গড়ে তোলে ছোটখাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
ছোট ছোট করে ব্যবসা বাণিজ্য যখন একটু বড় পর্যায় পৌছে তখন চোখ পড়ে সড়ক বিভাগের। আর তখনই উচ্ছেদের নামে পথে বসিয়ে দেওয়া হয় ঐ সব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের। কিন্তু যখন এ সব ক্ষুদ্র ব্যবসা বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে উঠে তখণ সড়ক বিভাগের লোকজন এ সব দিকে তাকায় না।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায় সড়ক বিভাগের এলাকাভিত্তিক দুর্নীতিগ্রস্থ কিছু কর্মকর্তা রয়েছে। কোন এলাকায় যখন সড়ক বিভাগের স্থানে ক্ষুদ্র দোকান তৈরী হয় তখন ঐ সব দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তারা উপড়ির বিনিময়ে সড়ক বিভাগের স্থানে দোকান করার জন্য প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহযোগীতা করে থাকেন। এ নিয়ে ঐ কর্মকর্তা অফিসিয়ালি নোট দেওয়ার কথা থাকলেও তথ্য গোপন করে নোট দেওয়া হয়। এর পর ঐ দোকানাদার তার নিজের মত করে ব্যবসা গড়ে উঠানোর পর নেমে আসে উচ্ছেদ নামের খড়ক। এ ভাবেই সড়ক বিভাগ দোকান উঠানোর সময় নীরব সম্মতি দিয়ে পরে উচ্ছেদ করে বেকার করে দেয় হাজার হাজার মানুষ। সওজের নিলির্প্ততার কারনে সড়ক বিভাগের জায়গা দখল নিয়ে কিছু কিছু বাজারে ঘটে অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা। যা থেকে এলাকায় সৃষ্টি হয় নৈরাজ্যের। ঘটে আইন শৃঙ্খলার ব্যপক অবনতি।
উল্লেখ্য বলাখালে মুকবুল আহাম্মেদ ডিগ্রি কলেজের সামনে সড়ক বিভাগের খালের উপর সম্প্রতি দোকান ঘর নির্মানে হাত দেয় ঐ এলাকার যদু বেপারী নামের জনৈক ব্যক্তি। কিন্তু সেখানে বাধ সাধে একই গ্রামের হান্নান নামের আরেক ব্যক্তি। ফলে দুপক্ষের মধ্যে দখলীয় সম্পত্তি নিয়ে শুরু হয় তীক্ততা ও সংর্ঘষ্যের আশংকা রয়ে গেছে। ঘটনা যাই ঘটুক সড়ক বিভাগের কর্তা ব্যক্তিরা রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাইরে।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২৮ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
