
হঠাৎ করে বেড়ে যাচ্ছে চাঁদপুর জেলায় কোভিড-১৯ তথা করোনাভাইরাসে
আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল একদিনেই এই সংখ্যা ১৯ থেকে ২২ সংখ্যায় গিয়ে
পেঁৗছে। গতকাল ৩টি পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। ৭টি রিপোর্টের মধ্যে ৩টিই পজিটিভ।
আর ৪টি হচ্ছে নেগেটিভ। গতকাল নতুন করে আক্রান্ত হওয়া রোগী তিনজনের মধ্যে
দুই জনই চাঁদপুর শহরের। আর অপরজন হচ্ছে সদর উপজেলার তরপুরচ-ী এলাকার। শহরের
দুজনের একজন নতুনবাজার এলাকার আর অপরজন পুরাণবাজার এলাকার।
গতকালের সংখ্যাসহ চাঁদপুর জেলায় এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা
হচ্ছে ২২। এই সংখ্যার সর্বোচ্চ সংখ্যক চাঁদপুর সদরে, সংখ্যা ১০। এরপর
আক্রান্তের সংখ্যা ফরিদগঞ্জে ৬ জন, মতলব উত্তরে ৩ জন, হাজীগঞ্জে ২ জন এবং
হাইমচরে ১ জন। চাঁদপুর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা
গেছে।
সূত্র থেকে আরো জানা গেছে, গতকাল নতুন করে আরো ৩২টি স্যাম্পল সংগ্রহ করে
গতকালই সেগুলো পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে গতকাল পর্যন্ত চাঁদপুর জেলা থেকে ৫১০
জনের স্যাম্পল পাঠানো হয়েছে। আর রিপোর্ট এসেছে গতকালকের ৭টিসহ মোট ৪২১জনের।
বাকি রয়েছে ৮৯ জনের রিপোর্ট।
এদিকে গতকাল যে তিনজনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে তার একজন হচ্ছে কিশোরী, তার
বাসা সদর উপজেলার তরপুরচ-ী এলাকায়। তার বয়স হবে ২০ বছর। আর অপর দুইজন
নতুনবাজার ও পুরাণবাজার এলাকার। তাদের উভয়ের বয়স ২২ বছর করে। এই দুই যুবকের
একজন তার মামাকে দেখতে গিয়েছিলো। মামা করোনায় আক্রান্ত। ওই যুবকের সাথে
তখন তার এক বন্ধুও ছিলো, যার বাসা পুরাণবাজার এলাকায়। গতকালকের রিপোর্টে
ভাগিনা এবং ভাগিনার বন্ধুর পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত
মামাকে দেখতে গিয়ে ভাগ্নে এবং তার বন্ধু আক্রান্ত হলো। অথচ করোনা রোগীর
কাছাকাছি কাউকে না যাওয়ারই কথা ছিল। কিন্তু সেই রোগী নিয়ম না মেনে নিজের
ইচ্ছা মতো চলাফেরা করায় অন্যদেরও সংক্রমিত করলো।
এদিকে গতকাল যে তিনজনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে তাদের বাড়ি লকডাউন করা
হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সেটি নিশ্চিত করে। তারা বাড়িতেই অবস্থান করবে এবং
হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়।
