চাঁদপুর নিউজ রিপোর্ট
চাঁদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী, শিশু এবং বৃদ্ধাসহ ৭জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিরা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
হাসপাতাল সূত্রে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য মতে জানা যায়, গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে পুরাণবাজার দোকানঘর এলাকায় প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে। হাইমচর উপজেলার নয়ানি লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে একই পরিবারের শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ মোট ৫ জন চাঁদপুর থ ১১-৬২৫৫ নাম্বারের সিএনজি স্কুটারযোগে চাঁদপুরে আত্মীয়ের বাড়ির উদ্দেশ্যে আসতেছিলো। এ সময় পুরাণবাজার দোকানঘর এলাকায় চালকের অসাবধানতার ফলে সিএনজি স্কুটারটি একটি আটোরিঙ্ার সাথে সজোরে ধাক্কা লাগে। তৎক্ষণাৎ সিএনজিতে থাকা নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ৫জন গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। আহতরা হলেন : নয়ানি লক্ষ্মীপুর এলাকার মোসলেম মিজি (৭৫), দেলোয়ার হোসেন (৩৫), সেলিনা (২২),তাছলিমা (শিশু) ও হুসিয়া বেগম (৪৫)। আহতদের মধ্যে বৃদ্ধ মোসলেম ও দেলোয়ারের অবস্থা গুরুতর। আহত সেলিনা জানায়, সিএনজি চালক এলোমেলোভাবে খুব দ্রুত গতিতে গাড়িটি চালাচ্ছিলো। তাকে কয়েকবার আস্তে চালানোর কথা বললেও সে শুনতে চায়নি। বেপরোয়া চালানোর কারণে সে একটি অটোরিঙ্ার সাথে সজোরে ধাক্কা দিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটায়। অপরদিকে সিএনজি চালক বাংলাবাজার এলাকার দুলাল খানে ছেলে সুজন জানায়, তাকে একটি অটোরিঙ্া পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। তাই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
অপর ঘটনাটি ঘটে চাঁদপুর সদর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায়। শাহতলী এলাকার শাহআলম নামের এক অসহায় আম বিক্রেতা তার শিশু পুত্রকে নিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি সিএনজি স্কুটার তাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এসময় শাহ্ আলমের মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পায়। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের ডাক্তার আহত শাহআলমকে ঢাকায় প্রেরণ করার কথা বললেও অর্থাভাবে তার পরিবারের লোকজন তাকে ঢাকায় নিতে পারেনি। বর্তমানে শাহ্ আলম চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
