
শওকত আলী॥
চাঁদপুরে অত্যাধিক গরম, প্রচুর বৃস্টি পাতের ফলে ভাপসা আবহাওয়ার কারনে ও ভাবসা গরম প্রভাহিত হওয়ার প্রেক্ষিতে শিশুরা মারাত্বক ভাবে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। যার কারনে অধিকাংশ শিশুর অতিরিক্ত জ¦র, ভাইরাল ফিভার,কাশি, ঠান্ডা,নিমুনিয়া,কনর্ভানশান(খিচুনি)ও টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত এক সপ্তাহে ৩শ”৯৭ জন শিশু রোগী চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে মারাত্বক অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১শ ৮২জন শিশু রোগী হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় আছে। বৃহস্পতিবার দিনে ও রাত ৯টা পর্যন্ত ২৫ শিশু রোগী সুস্থ্য হয়ে ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে গেছে বলে জানান,সেবীকা ফাতেমা বেগম। এ হাসপাতালে চাঁদপুর জেলা ছাড়া ও রায়পুর, লক্ষীপুর ও শরীয়তপুর জেলা থেকে রোগী এসে ভর্তি হচেছ। ১৪ জুলাই বিকেলে হাসপাতালে গিয়ে হাসপাতালে সেবীকাদের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, অধিকাংশ শিশুর অতিরিক্ত জ¦র, ভাইরাল ফিভার,কাশি,নিমুনিয়া, ডাইরিয়া,লোটাভাইরাস, বমি, পাতলা পায়খানা, কনর্ভানশান(খিচুনি) রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচেছ। শিশু রোগীর বেডের চাইতে ৪গুন বেশী শিশু ভর্তি হওয়ায় তাদেরকে একই বেডে ২জন, ফেøারে ও মেঝেতে চিকিৎসা দেওয়া হচেছ। এ হাসপাতালে শিশু রোগীর বেড রয়েছে ৫৮টি। কিন্তু শুক্রবার পর্যন্ত রোগী রয়েছে ১শ৮২ জন। এদের বয়স ১ মাস, ২মাস,৩মাস,৬মাস, ১বছর,৪বছর হতে ৮/১০ পর্যন্ত রয়েছে। এ শিশু রোগী ভর্তি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন,হাসপাতালে শুক্রবার শিশু ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা সিনিয়ার সেবিকা ফাতেমা বেগম । তিনি বলেন, হাসপাতাল থেকে সব ঔষধ দেওয়া হয়না সত্য। কিছু কিছু ঔষধ কিনতে হয় বাহির থেকে। এ সময় রোগীর সাথে থাকা মায়েরা ও অভিভাবকরা অভিযোগ করে জানান,হাসপাতাল থেকে আক্রান্ত এ সব শিশু রোগীদেরকে প্রয়োজনীয় ঔষধ দেওয়া হচেছ না। তারা বাহির থেকে সব ঔষধ ক্রয় করতে হচেছ।
চাঁদপুর শহর, জেলার বিভিন্ন স্থান ও পাশর্^বতী রায়পুর,রামগঞ্জ ও শরীয়তপুর জেলা থেকে পর্যন্ত রোগীরা চাঁদপুর আসে চিকিৎসার জন্য।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলার শিশু বিভাগে খবর নিয়ে জানাযায়, গত কাল শুক্রবার ৮৯,বৃহস্পতিবার ৭২,বুধবার ৭৫,মঙ্গলবার ৬২,সোমবার ৩৫,রবিবার ৩২, ও শনিবার ৩২ জন শিশু রোগী ভর্তি হয়।
অফিসার (আর এম ও ) ডাঃ মো: আসিবুল আহসান চৌধুরী(আসিব)এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, এখন অত্যাধিক গরমের কারনে শিশুরা আক্রান্ত হচেছ। গরমের কারনে মায়েরা ফ্যানের বাতাস পাওয়ার জন্য বেশী জোরে ফ্যান চালান,যার ফলে শিশুর ঘাম শুকিয়ে বেশী আক্রান্ত হচেছ। এ ছাড়া খাবার দাওয়ার এখন অতি তারা তারি নস্ট হয়ে যায়। এ খাবার খেয়ে শিশুরা আক্রান্ত হয়। আগামী ১মাস পর শিশুদের এ রোগ কমে যাবে।
চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রচুর ঔষধ সরবরাহ আছে। এ সব ঔষধ যেমন ইনজেকশান শিশুদের দিলে তড়িৎ রেজাল্ট পাওয়া যাবে। মায়েরা তা দিতে চায় না। আমাদের ও খারাপ লাগে শিশুকে ইনজেকশান পুশ করতে। যার ফলে বাহির থেকে ঔষধ ক্রয় করে আনে বিভিন্ন এনটি ভাইটিক,যা হাসপাতালে সরবরাহ নাই। আগামী দিন শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে খোজ খবর নিয়ে আরো তদারকি করবো ।্ কি ভাবে ভাল চিকিৎসা দেওয়া যায় ্
