প্রতিনিধি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে পেটানোর দায়ে এক শিক্ষককে অপসারণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, গত ৯ আগস্ট শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শাহরাস্তি উপজেলার শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর (রোল নং ১) ছাত্রী ফারজানা আলম তামান্না শ্রেণী কক্ষে অংক না পারায় প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে রাসেল তাকে স্টিলের স্কেল দ্বারা বেদম প্রহার করে। এতে তার হাতের দু’টি আঙ্গুল কেটে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পক্ষে বিপক্ষে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। স্কুল ছাত্রী তামান্নার পিতা ইউনুছ মিয়া শিক্ষক পক্ষের লোক দ্বারা প্রভাবান্তিত হয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে নারাজ হলে বিপক্ষিয়রা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানায়। এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কর্ণগোচর হলে তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করেন। এতে তিনি ২ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার সত্যতা প্রকাশের লক্ষে অনুমতি প্রদান করেন। ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার জহিরুল ইসলাম ও সহকারি শিক্ষা অফিসার রুনাক জানান, তাদের তদন্তের পূর্ণাঙ্গ রির্পোট দাখিল করলে প্রধান শিক্ষক রাসেল কৃর্তক ছাত্রী তামান্নাকে অনিয়মতান্ত্রিক প্রহারের সত্য ঘটনাটি প্রমাণিত হয়। গত ১৩ আগস্ট বুধবার উক্ত রিপোর্ট দাখিলের পর দিন ১৪ আগস্ট বৃহস্পতিবার শিক্ষা দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক ওই প্রধান শিক্ষককে অপসারণ করা হয়। প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন রাসেলকে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তার সদোত্তর জবাব দেননি।
ওই বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা জানান, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে প্রতিনিয়তই শিক্ষার্থীদের গাল মন্দসহ মারধর করতেন। শিশু শিক্ষার্থী কর্তৃক আমরা জানার পরও শিক্ষক বিধায় তাদের কখনও কিছুই জিজ্ঞেস করতাম না। যে কারনে তার দ্বাম্ভিকতা ও উদাসিনতা দিন দিন বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে এমন ঘটনাটি অত্যন্ত নেক্কারজনক। এমন ঘটনাকে তারা নিন্দা জানান। –
শিরোনাম:
রবিবার , ৩ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
