চাঁদপুর জেলা কারাগার পরিদর্শনকালে কোহিনুর বেগমের খুনি নয়নের সাথে কথা বলেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মণ্ডল। গত বুধবার ২৬ আগস্ট জেলা প্রশাসক চাঁদপুর জেলা কারাগার পরিদর্শনে যান। কারা অভ্যন্তরে প্রবেশ করে জেলা প্রশাসক সার্বিক বিষয়ে খবরাখবর নেন। এ সময় তিনি চাঁদপুর শহরের আলোচিত রহমতপুর আবাসিক এলাকা সংলগ্ন ভূঁইয়া বাড়িতে নির্মমভাবে খুন হওয়া তিন সন্তানের জননী কোহিনুর বেগমের ঘাতক খুনি নাজমা আক্তার ওরফে নয়নের সাথে কথা বলেছেন। জানা যায়, নয়ন স্বাভাবিকভাবেই জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলেন। নয়ন কোহিনুর বেগমকে বটি দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করেছে। গতকাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক এ কথা বলেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রহমতপুর আবাসিক এলাকার ৯০ নং প্রতিক্ষা নামের বাসার মালিক সৌদি প্রবাসী এমএ মান্নান খানের স্ত্রী কোহিনুর বেগম খুনি নয়নের কাছ থেকে পাওনা ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার জন্য গেলে নয়ন তাকে খুন করেছে। কোহিনুর বেগমকে নয়ন নির্মমভাবে খুন করে ধেন্দা রফিকের সহযোগিতায় কোহিনুরের রক্তাক্ত দেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রেখে পালিয়ে যায় । খুন হওয়ার সময় কোহিনুর বেগমের শরীরে কয়েক ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিলো। খুনের পর সেসব স্বর্ণের জিনিস নয়ন বেগম ও রফিক নিয়ে যায় বলে কোহিনুরের পরিবারের দাবি। জানা গেছে, চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক খুনি নয়ন বেগম জানিয়েছে, কোহিনুরের সাথে থাকা স্বর্ণালঙ্কার সে শরীর থেকে খুলে নিয়েছে। তারপর জানালা দিয়ে তা ময়লাযুক্ত ও কচুরিপানার ডোবায় ফেলে দিয়েছে। তার পরদিন চাঁদপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আহসানুজ্জামান লাবু সেই অলঙ্কার উদ্ধারে নৌকা নিয়ে ওই ডোবাতে তল্লাশি চালায়। কিন্তু যে পরিমাণ কচুরিপানা তাতে ফেলে দেয়া স্বর্ণ কোনোভাবেই তলিয়ে যাবার নয়। পুলিশ স্বর্ণ উদ্ধারে গিয়েও ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছে। তারা ধারণা করছেন নয়ন ও রফিক স্বর্ণালঙ্কার ডোবায় ফেলে দেয়নি। তারা হয়তো বিক্রি করে দিয়েছে।
শিরোনাম:
রবিবার , ১২ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২৯ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
স্টাফ রিপোর্টার
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

