স্টাফ রিপোর্টার॥ চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার হরিসভা এলাকায় শীতের মধ্যে মশারী জালে ধরা হয়েছিলো বাইলা,চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির রেনুপোনা। আর এখন ওই এলাকার কাছাকাছি রনাগোয়াল খালের দক্ষিন পাশের্^ চুরি করে ধরা হচ্ছে জাটকা নিধন এবং বিক্রি।মেঘনায় চলছে জাটকাসহ ইলিশ রক্ষায় মাছের অভয়াশ্রম।সরকার মার্চ-এপ্রিল এ দু’মাস নদীতে সকল প্রকার জাল ফেলা এবং সমস্ত মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে। যারা আইন অমান্য করে জাটকাসহ মাছ ধরবে তাদের সর্বোচ্চ দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদ- এবং অর্থদ-ের বিধান রয়েছে।
চোর না মানে আইন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও উল্লেখিত এলাকায় জাটকা নিধন ও বিক্রি চলছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।সন্ধ্যার পর থেকে এক খেও মধ্য রাতের পর থেকে আরেক খেও । ফজর নামাজের পর শুরু হয় রনাগোয়াল খালের দক্ষিন পাশের বাগানে এবং বাবুর্চিঘাটে মাছ বিক্রি ।সেখান থেকে মাছ নিয়ে কতিপয় লোক পাড়া-মহল্লার বাসা-বাড়িতে ঢুকে সেই মাছ হকারী করে বিক্রি করছেন। জানা যায়, রনাগোয়াল ও বাবুর্চিঘাটের মৎস্য আড়দারীর নামে ৪/৫জন চিহ্নিত দুস্কৃতিকারী দাদনদার সোর্সের মাধ্যমে লোভী জেলেদের নদীতে নামাচ্ছে। হাতেগোনা ১০/১২জন জেলে কারেন্টজাল নিয়ে ওই এলাকা দিয়ে জাটকা শিকার করার জন্য নদীতে যাচ্ছে।তাদের দেখা দেখি হরিসভা পুরাতন ফায়ার সার্ভিস ঘাট দিয়েও জাটকা ধরা এবং বিক্রি করা হয়। প্রশাসনের কেউ তাদের অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধে আইন প্রয়োগের জন্য এগিয়ে আসছেনা। ফলে যা হবার তাই হচ্ছে।নিষিদ্ধ সময়ে জাটকা ও মা ইলিশ এবং হরিসভা এলাকা দিয়ে বাধাজাল দিয়ে বাইল্যাসহ নদীর রেনুপোনা ছেঁকে ফেলা হচ্ছে। এসব করে এক একজন লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নিজেরা লাভবান হচ্ছে জাতয়ি স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করে।তাদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার সচেতন এবং পর্যক্ষেক মহল।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ১৯ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
